প্রেমিক-প্রেমিকাকে শব্দের জাদুতে মুগ্ধ করতে চান? তাহলে আজকের এই ভালোবাসা দিবসে তাকে প্রেমপত্র লিখুন। কিন্তু সবাই তো আর কবি নয়! তাই প্রিয় মানুষকে জয় করার শব্দ ভান্ডারও আপনার জানা নেই। হতাশ হবে না, উপায় আছে। আপনি চাইলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সহায়তায় প্রেমপত্র লিখিয়ে নিতে পারেন। তাও আবার মাত্র কয়েক সেকেন্ডে।
জানলে অবাক হবেন, ৫৬ শতাংশ মানুষ তাদের প্রেমিক-প্রেমিকাদের প্রেমের চিঠি লেখার জন্য জেনেরিক এআই টুল ব্যবহার করছে।
বিজ্ঞাপন

গবেষণায় প্রকাশ করা হয়েছে যে, দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক, অর্থাৎ প্রায় ৬৭ শতাংশ মানুষ এই তফাৎটা বুঝতে পারে না, যে কোন চিঠিটি এআই-এর লেখা। আর কোনটি মানুষের।
ম্যাকাফি তাদের এক গবেষণায় এই তথ্য প্রকাশ করেছে। এই সিকিউরিটি সফটওয়্যার ফার্ম একটি সার্ভে বা সমীক্ষা করেছে। আর তার ফলে এমন একটি তথ্য সামনে এসেছে, যা ঘুম কেড়েছে গবেষকদেরও। ভ্যালেন্টাইন্স ডে-এর জন্য এআই-এর সাহায্য নিচ্ছে মানুষ। অর্থাৎ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
ম্যাকাফির নতুন গবেষণা প্রতিবেদনে সব তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। প্রতিবেদনটির নাম দেওয়া হয়েছে মডার্ন লাভ। এই গবেষণা করার আসল উদ্দেশ্য হল, আধুনিক যুগে প্রেম এবং সম্পর্কের পরিবর্তনে এআই এবং ইন্টারনেটের ভূমিকা খুঁজে বের করা। গবেষণায় সাতটি দেশের ৭০০০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
বিজ্ঞাপন

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এক চতুর্থাংশেরও বেশি মানুষ ইতিমধ্যেই তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করতে পেরেছেন। আর সাহায্য নিয়েছেন ওপেন এআইয়ের চ্যাটজিপিটি, গুগল জেমিনি এবং মাইক্রেসফটের কো-পাইলটের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার টুলসের ওপর।
সমীক্ষা অনুসারে, মানুষ প্রেমের চিঠি লিখতে এআইকে ব্যবহার করছে। কিন্তু কেন এআই ব্যবহার করছে, তা জানলে আপনার চোখ কপালে উঠবে।

২১ শতাংশ মানুষের দাবি, বর্তমানে মানুষ প্রেমপত্র লেখার ক্ষেত্রে এআই-এর সাহায্য নিচ্ছে। গবেষণায় উঠে এসেছে এর কারণও, একশ্রেণির ধারণা, এআই বর্তমানে মানুষের থেকে আবেগ-অনুভূতিতে অনেক বেশি এগিয়ে। অর্থাৎ, যে আবেগ-ভালোবাসার সঙ্গে রক্তমাংসের মানুষ দুটো মনের কথা লিখে এসেছেন যুগের পর যুগ ধরে, সেই মানুষই এখন মনে করছেন, এঅাই তার মনের কথা, তার থেকেও বেশি আবেগ ঢেলে লিখে দিতে পারে। যদিও ১০ শতাংশ মানুষের মতে, এআই ব্যবহার করলে তাদের কাজ দ্রুত হবে। তাই তারা প্রেমপত্র লিখতে এঅই-কে কাজে লাগাচ্ছে।
এজেড

