অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের সেমিফাইনালে নামার আগে নিজেকে চ্যালেঞ্জার হিসেবেই দেখছেন নোভাক জোকোভিচ। দুইবারের চ্যাম্পিয়ন জানিক সিনারকে ‘ফেভারিট’ আখ্যা দিলেও, নিজের ‘এ–গেম’ নিয়ে চমক দেখানোর প্রত্যয় জানিয়েছেন সার্বিয়ান কিংবদন্তি। শুক্রবার রড লেভার অ্যারেনায় রাতের ম্যাচে মুখোমুখি হবেন জোকোভিচ ও ইতালিয়ান তারকা সিনার। এই কোর্টেই সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছেন জোকোভিচ, এখানেই জিতেছেন রেকর্ড ১০টি শিরোপা।
এই ম্যাচের জয়ী রোববারের ফাইনালে খেলবেন স্পেনের শীর্ষ বাছাই কার্লোস আলকারাস অথবা জার্মানির তৃতীয় বাছাই আলেকজান্ডার জভেরেভের বিপক্ষে। ৩৮ বছর বয়সী জোকোভিচ কিছুটা সৌভাগ্যের সহায়তায় সেমিফাইনালে উঠেছেন। কোয়ার্টার ফাইনালে লরেঞ্জো মুসেত্তি চোটের কারণে ম্যাচ ছেড়ে দিলে এগিয়ে যান তিনি। এর আগে চতুর্থ রাউন্ডেও কোনো বল না খেলেই জয় পান, যখন জাকুব মেনসিক সরে দাঁড়ান।
চতুর্থ বাছাই জোকোভিচের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, টানা পাঁচ ম্যাচে সিনারের বিপক্ষে হেরে যাওয়ার ধারাটা ভাঙতে হবে। গত বছর ফরাসি ওপেন ও উইম্বলডনের সেমিফাইনালেও সিনারের কাছে স্পষ্টভাবে হেরেছিলেন তিনি। এই ম্যাচ জিততে পারলে জোকোভিচ খেলবেন নিজের ১১তম অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ফাইনাল।
২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতা জোকোভিচ বলেন, “এই মুহূর্তে সিনার খুব উঁচু মানের টেনিস খেলছে, আলকারাসের মতোই। ওরা দুজনই এখন বিশ্বের সেরা। স্বাভাবিকভাবেই সিনার ফেভারিট। তবে টেনিসে কখন কী হয়, বলা যায় না।” তিনি আরও যোগ করেন, “অন্তত সুযোগ তৈরি করতে হলেও আমাকে আমার সেরা খেলাটা খেলতে হবে। মুসেত্তির বিপক্ষে আমি সেরার কাছাকাছিও ছিলাম না, সেটা বদলাতে হবে।”
২০২৩ ইউএস ওপেনের পর থেকে ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের খোঁজে আছেন জোকোভিচ। তবে সিনার ও আলকারাসের উত্থানের পর সেই পথ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। ওই সময়ের পর থেকে সব গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপাই ভাগ করে নিয়েছেন এই দুই তরুণ। অন্যদিকে, আত্মবিশ্বাসী সিনার বলেন, “ম্যাচটা খুব কঠিন হতে যাচ্ছে। আমরা একে অন্যকে ভালোভাবে চিনি। পরিস্থিতি কীভাবে সামলাই, সেটাই দেখার বিষয়। ভালোও হতে পারে, খারাপও- টেনিস এমনই। বাড়তি চাপ নিতে চাই না।”




