মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু হতে না হতেই বাংলাদেশের জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে জয়ের লক্ষ্য মাত্র ১৭০ রান। সেই লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং ও জন ক্যাম্পবেল কোনো উইকেট না হারিয়েই ৬৪ রান তুলে ফেলেছেন। এখন তাদের প্রয়োজন আর মাত্র ১০৬ রান, হাতে আছে পুরো দশ উইকেট। অন্যদিকে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরতে হলে দ্রুত উইকেট তুলে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে হবে। তবে বৃষ্টির কারণে আপাতত খেলা বন্ধ রয়েছে।
চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনে ১৪.১ ওভার খেলার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৬৪। কিং ৫১ বলে ২৯ এবং ক্যাম্পবেল ৩৫ বলে ২৭ রানে অপরাজিত আছেন। তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটি জয়ের পথ অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে ক্যারিবীয়দের।
এর আগে সকালের অধিবেশনে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস দ্রুত শেষ হয়ে যায়। আগের দিন ছয় উইকেটে ৭৯ রান নিয়ে দিন শেষ করেছিল স্বাগতিকরা। ক্রিজে ছিলেন জাকের আলী অনিক ও নাঈম হাসান। চতুর্থ দিনে বাকি চার উইকেট হারিয়ে ৪৮.৪ ওভারে মাত্র ১৪২ রানেই অলআউট হয় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসের ২৭ রানের লিড যোগ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের টার্গেট দাঁড়ায় ১৭০।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে ভালো ব্যাট করেন নাঈম হাসান। ৯১ বলে চারটি চারের সাহায্যে ৫২ রান করেন তিনি। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটিই তার প্রথম অর্ধশতক। জাকের আলী করেন ২২, মেহেদী হাসান মিরাজ ৯ এবং শরিফুল ইসলাম অপরাজিত ৭ রান করেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিংয়ে রোস্টন চেজ ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। ১৫.৪ ওভারে ৩৬ রান খরচায় পাঁচ উইকেট নেন তিনি। জোমেল ওয়ারিকান নেন চার এবং শামার জোসেফ একটি উইকেট।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করেছিল ২৭২ রান। জবাবে নাঈম হাসানের স্পিনে বিপর্যস্ত হয়ে ২৪৫ রানেই অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নাঈম নেন চার উইকেট, মেহেদী ও তাইজুল নেন দুটি করে। বাংলাদেশের পক্ষে শাদমান ইসলাম করেন ১০৫ রানের সেঞ্চুরি। তাওহীদ হৃদয় ৪২ এবং লিটন দাস অপরাজিত ৩৪ রান করেন।




