শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

তিন বছর পর খুলছে ম্যারাডোনা স্টেডিয়াম, মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-জার্মানি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম

শেয়ার করুন:

তিন বছর পর খুলছে ম্যারাডোনা স্টেডিয়াম, মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-জার্মানি

তিন বছর ধরে নীরব থাকা আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক দিয়েগো ম্যারাডোনা স্টেডিয়ামে আবারও ফিরছে আন্তর্জাতিক ফুটবল। আগামী ২৯ নভেম্বর আর্জেন্টিনা ও জার্মানির নারী ফুটবল দলের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হচ্ছে লা প্লাতার এস্তাদিও উনিকো দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা স্টেডিয়াম।

বুয়েনস আইরেস প্রদেশের রাজধানী লা প্লাতায় অবস্থিত স্টেডিয়ামটি ২০২৩ সালে সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর থেকে সেখানে কোনো ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি। সংস্কারকাজ এখনো পুরোপুরি শেষ না হলেও আর্জেন্টিনা ও জার্মানির নারী দলের ম্যাচের মধ্য দিয়ে আবারও মাঠে ফিরছে ফুটবল।

২০২৭ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা নারী বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজেদের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা ও জার্মানি। দুই দলের জন্যই ম্যাচটি নিজেদের সামর্থ্য যাচাই এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রস্তুতি ঝালিয়ে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

স্টেডিয়ামের পরিচালক এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) অনুষ্ঠান ও প্রটোকল কমিটির সভাপতি ফার্নান্দো ইসলাস কাসারেস জানিয়েছেন, সংস্কারকাজের প্রায় ২৫ শতাংশ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ২০৩০ বিশ্বকাপের অন্যতম ভেন্যু হিসেবে নির্বাচিত হতে পারে এই স্টেডিয়াম। কাসারেস বলেন, ‘আমরা সংস্কারকাজের ২৫ শতাংশ সম্পন্ন করেছি। আমাদের বিশ্বাস, এটি ২০৩০ বিশ্বকাপের অন্যতম ভেন্যু হবে।’

নারী ফুটবলে এর আগে দুবার মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা ও জার্মানি। প্রথমবার ২০০৩ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০০৭ সালের ফিফা নারী বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে লড়েছিল দল দুটি। ২৯ নভেম্বরের ম্যাচটি হবে তাদের তৃতীয় আন্তর্জাতিক সাক্ষাৎ।

বর্তমান বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে জার্মানির অবস্থান তৃতীয়। ফলে শক্তিশালী ইউরোপীয় দলটির বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জন্য ম্যাচটি হবে নিজেদের সক্ষমতা যাচাইয়ের বড় পরীক্ষা।

আর্জেন্টিনার কোচ হেরমান পোর্তানোভা জার্মানির বিপক্ষে ম্যাচটিকে দলের উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

তিনি বলেন, ‘এই মানের দলের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্য যাচাই করা আমাদের প্রতিযোগিতামূলক রাখবে। আগামী বছরের বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে যে উন্নতি করছি, তা অব্যাহত রাখতেও এমন ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এই সুন্দর স্টেডিয়াম পুনরায় চালুর দিনে উপস্থিত থাকা বিশেষ অভিজ্ঞতা হবে।’

অন্যদিকে জার্মানির কোচ ক্রিশ্চিয়ান ভুকও ম্যাচটির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলা দলকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করায় এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলে মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করে।

ভুক বলেন, ‘ধারাবাহিক উন্নতির জন্য এসব ম্যাচ অত্যন্ত মূল্যবান। এগুলো নতুন চ্যালেঞ্জ আনে এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা অর্জনে সাহায্য করে। এই অভিজ্ঞতা আমাদের অনেক কাজে আসবে।’

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর