মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে তৃতীয় দিনের শেষভাগে আকাশ যখন ক্রমে অন্ধকার হয়ে আসছিল, তখন আম্পায়াররা আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা বন্ধ ঘোষণা করেন। সেই মুহূর্তে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ড ৬ উইকেটে ৭৯ রান। প্রথম ইনিংসের ২৭ রানের লিড যোগ করে সামগ্রিকভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে ১০৬ রান এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা। তবে হাতে মাত্র চার উইকেট থাকায় চতুর্থ দিনে বড় সংগ্রহ গড়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে তাদের।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করেছিল ২৭২ রান। সাদমান ইসলামের ১০৫ রানের সেঞ্চুরি, তাওহীদ হৃদয়ের ৪২, মুমিনুল হকের ২৮ এবং লিটন দাসের অপরাজিত ৩৪ রান দলকে সেই সংগ্রহ এনে দিয়েছিল। এর জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৪৫ রানেই অলআউট হয়। নাঈম হাসান ৩৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে মূল ভূমিকা রাখেন। মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট। এতে বাংলাদেশ ২৭ রানের লিড পায়।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। সাদমান ১৩ রানে রোস্টন চেজের বলে আউট হন। তানজিদ হাসান তামিম শূন্যে ফিরে যান। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১০ রানে এবং হৃদয় শূন্যে আউট হন। মাত্র ১৩ ওভারে ৩৪ রান তুলতেই চার উইকেট হারায় দল। পরে লিটন দাস ও মেহেদী মিরাজকে ফিরিয়ে চেজ ও জোমেল ওয়ারিকান বাংলাদেশকে আরও চাপে ফেলেন। ৫৩ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিকরা।
এরপর জাকের আলী অনিক ও নাঈম হাসান প্রতিরোধ গড়েন। দুজনই ১৮ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন। ২৯ ওভারে ৬ উইকেটে ৭৯ রান নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে চেজ নেন ৩ উইকেট, ওয়ারিকান ২ এবং শামার জোসেফ ১ উইকেট।




