আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় ওয়ানডে টুর্নামেন্টের শুরুটা বাংলাদেশের জন্য মোটেই সুখকর ছিল না। প্রথম ম্যাচেই জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরে বেশ কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল টাইগাররা। তবে মাঠের খেলায় পরিস্থিতি বদলাতে বেশি সময় লাগে না।
গতকাল (১৯ অক্টোবর) রাতে আফগানিস্তানের হাতে জিম্বাবুয়ে ১৫৮ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাস্ত হওয়ায় বাংলাদেশ দলের সামনে ফাইনালের দুয়ার নতুন করে খুলে গেছে। আগামীকাল (২১ অক্টোবর) রশিদ-নবিদের মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। টুর্নামেন্টের টিকে থাকার এই লড়াই কেবল মাঠের জয়েই সীমাবদ্ধ নয়; শান্ত-হৃদয়দের ভাগ্যের চাবিকাঠি ঝুলছে রানরেটের সুক্ষ্ম অংক কষার ওপর।
পয়েন্ট টেবিলের লড়াইয়ে বর্তমানে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে দুই দলই সমান ২ পয়েন্ট করে সংগ্রহ করেছে। বিপরীতে বাংলাদেশের ঝুলিতে এখনও কোনো পয়েন্ট যোগ হয়নি। তবুও একটিমাত্র জয়েই সব দৃশ্যপট বদলে দেওয়া সম্ভব। তবে জয়ের পাশাপাশি কত ব্যবধানে জয় আসছে, সেটাই হবে আসল নির্ধারক। বাংলাদেশ যদি আগে ব্যাটিং করে, তবে অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে আফগানদের হারাতে হবে।
৪১ থেকে ২১৬ রানের মধ্যে জয় পেলে আফগানিস্তানের সাথে ফাইনালে পৌঁছে যাবে বাংলাদেশ এবং টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাবে জিম্বাবুয়ে। তবে জয়ের ব্যবধান যদি ৪০ রান বা তার কম হয়, তবে জয় পেলেও বিদায় নিতে হবে বাংলাদেশকে। সেক্ষেত্রে ফাইনালে মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। আবার জয়টি যদি ২১৭ রান বা তার চেয়ে বড় ব্যবধানের হয়, তবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে ফাইনালে উঠবে এবং ছিটকে যাবে আফগানিস্তান।
রান তাড়া করতে নামলে বাংলাদেশকে নজর রাখতে হবে ওভার ও বলের হিসাবের দিকে। আফগানিস্তান যদি প্রথম ইনিংসে ২৫০ রান তোলে, তবে ফাইনালে ওঠার টিকিট পেতে বাংলাদেশকে সেই রান টপকাতে হবে সর্বোচ্চ ৪১.৩ ওভারের মধ্যে, অর্থাৎ অন্তত ৫১ বল হাতে রেখে।
বর্তমানে তালিকার শীর্ষে থাকা আফগানিস্তানের নেট রানরেট +৩.১৬০। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ের নেট রানরেট -০.৫৯০ এবং বাংলাদেশের নেট রানরেট -১.৯৮০। ফলে সব হিসাব-নিকাশ পেছনে ফেলে মাঠে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই শান্ত বাহিনীর সামনে।




