ঢাকায় বসতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার প্রায় ১০ দিন আগে অনুশীলন শুরু হলেও ৫ নভেম্বরের উদ্বোধনী ম্যাচে পূর্ণাঙ্গ দল পাচ্ছেন না কোচ। প্রবাসী ও বিদেশি লিগে খেলা সিংহভাগ তারকা ফুটবলারই প্রথম ম্যাচে অনিশ্চিত।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ন্যাশনাল টিমস কমিটির (এনটিসি) এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বাফুফে সভাপতি ও এনটিসি চেয়ারম্যান তাবিথ আউয়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বাফুফের ডেভেলপমেন্ট ও টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যানরাও উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাম্প শুরুর পাশাপাশি খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফিটনেস ও টেম্পারামেন্ট ফিরিয়ে আনতে একটি প্রস্তুতিমূলক প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে বাফুফে। তাবিথ আউয়াল জানান, "দলকে ম্যাচ মোডে ফিরিয়ে আনতে আমরা আগামী ৩১ অক্টোবর অথবা ১ নভেম্বর একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার চেষ্টা করছি। আমাদের মনে হয় একটি প্রীতি ম্যাচ এই মুহূর্তে দলের জন্য খুবই জরুরি।"
তবে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই সেরা একাদশ নামানো সম্ভব হচ্ছে না স্বাগতিকদের। হামজা চৌধুরী, শমিত সোম সহ একাধিক প্রবাসী ফুটবলার ক্লাব প্রতিশ্রুতির কারণে ৫ নভেম্বরের আগে দল যোগ দিতে পারছেন না। আগামী ৯ নভেম্বর ফিফা আন্তর্জাতিক উইন্ডো চালু হওয়ার পরই তাঁদের পাওয়ার আশা করছে বাফুফে। এ বিষয়ে তাবিথ আউয়াল বলেন, "সাফে আমাদের প্রথম ম্যাচের জন্য আমরা পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড পাচ্ছি না। ৯ নভেম্বরের পর আমরা হয়তো বিদেশে খেলা খেলোয়াড়দের ৯০ শতাংশকে দলে পাব।"
সম্প্রতি শেষ হওয়া ফিফা এসিয়ান কাপে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্সও এই সভায় পর্যালোচনা করা হয়। কোচিং স্টাফ ও টিম ম্যানেজমেন্টের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাওয়ার পর এনটিসির পরবর্তী সভায় এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
ভবিষ্যতের জাতীয় দলের পাইপলাইন শক্তিশালী করতে বেশ কিছু দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কথা জানান বাফুফে প্রধান। এখন থেকে প্রতিটি ফিফা উইন্ডোতে জাতীয় দলের পাশাপাশি একটি পৃথক ‘অনূর্ধ্ব-২৩’ দল সক্রিয় রাখা হবে, যারা নিয়মিত অনুশীলন ও অনফিসিয়াল প্রীতি ম্যাচ খেলবে। এছাড়া যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সী প্রবাসী তরুণ ফুটবলারদের খুঁজে বের করতে বছরে দুটি টুর্নামেন্ট ও একটি বিশেষ ট্রেনিং ক্যাম্প আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বাফুফে।




