আবুধাবি টেস্টের চতুর্থ দিনে লিটন দাস দুইবার ক্যাচ মিস হওয়ার পরও থেমে যাননি। ধৈর্য ধরে খেলে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের একুশতম টেস্ট হাফসেঞ্চুরি। মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে জুটি গড়ে বাংলাদেশের লিডও এক লাফে চারশো রান পেরিয়ে গেছে।
এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছয় উইকেটে ৩২০। লিটন অপরাজিত ৭১ এবং মিরাজ ৩১ রানে ক্রিজে আছেন। মোট লিড ৪২৬ রান।
তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের হাতে ছিল ৩২৯ রানের লিড। ছয় উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করে টাইগাররা। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করেছিল ৩৪৬। জবাবে আফগানিস্তান অলআউট হয় ২৪০ রানে। ফলে প্রথম ইনিংসেই ১০৬ রানের এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
আফগান ইনিংসের সবচেয়ে বড় ঘটনা ছিল হাসান মাহমুদের হ্যাটট্রিক। রহমত শাহ সেঞ্চুরি করে অপরাজিত থাকেন ১০৫ রানে।
তৃতীয় দিনের সকালেই আফগান ব্যাটিং ভেঙে পড়ে। এবাদত হোসেন ও হাসান মাহমুদের জোড়া আক্রমণে মাত্র এক রানের ব্যবধানে চার উইকেট পড়ে। এর মধ্যে হাসান মাহমুদ টানা তিন বলে তিন উইকেট তুলে নেন।
দিনের তৃতীয় ওভারে এবাদত ইকরাম আলি খিলকে (৩২) পরিষ্কার বোল্ড করেন। পরের ওভারেই হাসান মাহমুদ প্রথমে ইসমত আলমের (১) অফস্টাম্প উপড়ে দেন। পরের বলে সুইং করে কায়েস আহমেদকে (০) লিটনের গ্লাভসে ধরিয়ে দেন।
হ্যাটট্রিকের তৃতীয় বলে নাটক হয়। জিয়াউর রহমানের ব্যাটের পাশ দিয়ে বল উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে যায়। আম্পায়ার নট আউট দেন। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত রিভিউ নেন। রিপ্লেতে দেখা যায় বল প্যাডে লেগেছে এবং অফস্টাম্পে যাচ্ছিল। এলবিডব্লিউতে জিয়াউর রহমান আউট হন। হাসান মাহমুদ হ্যাটট্রিক উদযাপন করেন।
এরপর ইয়ামিন আহমেদজাইকেও উইকেটরক্ষকের ক্যাচ বানিয়ে হাসান পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন। টেস্টে এটি তার চতুর্থ ফাইফার। হাসান মাহমুদ শেষ করেন ৫৫ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে। এবাদত হোসেন নেন চার উইকেট ৫৬ রানে। একটি উইকেট মেহেদী হাসান মিরাজের।




