২০২৬ আসিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে (এএফএফ চ্যাম্পিয়নশিপ) ম্যাচ পাতানোর অভিযোগে লাওস জাতীয় ফুটবল দলের উইঙ্গার সুকফাচান লুয়ানথালাকে গ্রাফতার করা হয়েছে। ঘুষ গ্রহণ, অবৈধ জুয়া ও ম্যাচ ম্যানিপুলেশনের অভিযোগ ওঠার পর লাও ফুটবল ফেডারেশন (এলএফএফ) পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে তাকে আটক করা হয়।
আগস্টের শুরুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলে দেশে ফেরার পর একাধিক লাও ফুটবলারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এর পরই ৭ আগস্ট এলএফএফ আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ পাতানোর তদন্ত শুরু করে এবং পুলিশকে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায়।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, ২৪ বছর বয়সী এই উইঙ্গার একটি ভিয়েতনাম-ভিত্তিক জুয়াড়ি সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি নিজের দলের অন্যান্য ফুটবলারদের ঘুষের বিনিময়ে ম্যাচ পাতানোর নির্দেশনা দিতেন এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতেন।
এবারের আসিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে লাওস দলের একের পর এক বাজে হারের পরই সন্দেহের দানা বাঁধে। থাইল্যান্ডের কাছে ০-৫, মালয়েশিয়ার কাছে ০-৪, ফিলিপাইনের কাছে ১-৪ এবং শেষ ম্যাচে মিয়ানমারের কাছে ২-৭ ব্যবধানে হেরে আসর থেকে বিদায় নেয় তারা। তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক সূত্রের দাবি, একটি ম্যাচের জন্য অন্তত ১০ হাজার ডলার করে লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
লাওসের ফুটবলে ম্যাচ পাতানোর ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। ২০২০ সালে ২০১৭ সালের একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অনিয়মের অপরাধে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) লাওসের দুই ফুটবলারকে আজীবন নিষিদ্ধ করেছিল। তবে সাম্প্রতিক এই গ্রাফতারের ঘটনায় লাও ফুটবল ফেডারেশন বা স্থানীয় পুলিশ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি, যদিও লুয়ানথালা বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।




