বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

৯ গোল হজম করে ইন্দোনেশিয়ার কাছে হারল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩০ পিএম

শেয়ার করুন:

৯ গোল হজম করে ইন্দোনেশিয়ার কাছে হারল বাংলাদেশ

ফিফা আসিয়ান কাপে নিজেদের শেষ গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার বিখ্যাত গেলোর বুং কার্নো স্টেডিয়ামে চরম বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার আক্রমণের তোপে পড়ে প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটেই ৬টি গোল হজম করে ৬-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে কোচ টমাস ডুলির দল। দ্বিতীয়ার্ধের শেষে এক গোল এবং যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে আরও দুই গোল হজম করে শেষ পর্যন্ত তারা ম্যাচটি হেরেছে ৯-২ ব্যবধানে। 

ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশকে চেপে ধরে ইন্দোনেশিয়া। স্বাগতিক স্ট্রাইকার মিচেল বেকারকে থামাতেই পারেননি বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ফুটবলাররা। প্রথমার্ধেই তিনি একাই চার গোল করে রক্ষণভাগ দুমড়ে-মুচড়ে দেন।

ম্যাচের ১১তম মিনিটে ওলে রোমেনির অ্যাসিস্ট থেকে প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে নেন মিচেল বেকার। ৯ মিনিট পর (২০ মিনিটে) রোমেনি ও রাগনার ওরাতমাঙ্গোয়েনের প্রাথমিক শট গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ আটকে দিলেও রিবাউন্ডে দারুণ ব্যাকহিলে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন বেকার। ৩২তম মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে নিখুঁত অ্যাঙ্গেল শটে ব্যবধান ৩-০ করেন রিজকি রিদো।

৩৬তম মিনিটে হঠাৎই এক আশার আলো তৈরি করে বাংলাদেশ। সোহেল রানা সিনিয়রের দীর্ঘ পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সে দুর্দান্ত ক্রস বাড়ান সুকি ইতফুসা, আর লাফিয়ে উঠে চমৎকার হেডে লক্ষ্যভেদ করেন শাহরিয়ার ইমন। এটি ছিল চলতি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রথম গোল।

তবে সেই আনন্দের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র এক মিনিট। ৩৭তম মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন বেকার। ৪২তম মিনিটে জাস্টিন হাবনারের লং পাস থেকে হেডে নিজের চতুর্থ গোলটি পান এই ফরোয়ার্ড। এরপর প্রথম অর্ধে অতিরিক্ত সময়ে জাস্টিন হাবনার নিজেই গোলদাতাদের তালিকায় নাম লেখান, যার ফলে প্রথমার্ধেই ৬-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই একাদশে দুটি পরিবর্তন আনেন বাংলাদেশের কোচ টমাস ডুলি। শুকি ও ইমনকে তুলে ফারহান আলী ওয়াহিদ ও মিনহাজুল করিম স্বাধীনকে নামানো হয়। তবে চোটের কারণে স্বাধীনও বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি, ৭৩ মিনিটে তাঁর বদলি হিসেবে নামেন শাকিল আহাদ তপু। দ্বিতীয়ার্ধে শ্রাবণের বেশ কয়েকটি প্রতিরোধ এবং রোমেনি ওলের একটি গোল অফসাইডে বাতিল হওয়ায় ব্যবধান বাড়ছিল না।

ফাইনালে উঠতে হলে ইন্দোনেশিয়ার দরকার ছিল আরও ৩ গোল। ৯০ মিনিটে এক গোল করার পর যোগ করা ৭ মিনিটের মধ্যে আরও দুটি গোল করে অবিশ্বাস্যভাবে ফাইনালে পৌঁছায় ইন্দোনেশিয়া। শেষদিকে বাংলাদেশও একটি গোল করলেও তা শুধু হারের ব্যবধানই কিছুটা কমাতে পেরেছে। আর বড় জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইন্দোনেশিয়া। 

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর