মাঠে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে নিজেদের ভাগ্য বদলানোর সময় শেষ। ২০২৬ সালের ব্যালন ডি'অরের ভোট গ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে গত সোমবার। বিশ্বের শীর্ষ সাংবাদিকদের দেওয়া রায় ইতোমধ্যে ব্যালট বাক্সে বন্দি হয়ে গেছে। ফলে এখন মাঠে নতুন কোনো গোল বা জাদুকরী পারফরম্যান্সও আর চূড়ান্ত ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারবে না। সবুজ ঘাসের লড়াই পেছনে ফেলে বিজয়ী নির্বাচনের সব সিদ্ধান্ত এখন চূড়ান্ত; অপেক্ষা শুধু আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনের জমকালো মঞ্চে কাঙ্ক্ষিত সেই নামটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।
গত সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট দেওয়ার সময়সীমা শেষ হতেই খেলোয়াড়দের মাঠে পারফর্ম করে ভাগ্য বদলানোর সব সুযোগের ইতি ঘটেছে। এখন কেবল পিনপতন নীরবতার অপেক্ষা, লন্ডনের ঝলমলে আলোর নিচে শেষ পর্যন্ত কার হাতে শোভা পাবে বছরের সেরা ফুটবলারের সোনালী গোলকটি।
বিশ্বজুড়ে মনোনীত জুরি বোর্ডের সাংবাদিকেরা তাঁদের চূড়ান্ত পছন্দ জানিয়ে দিয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর কোনো বিচারকের পক্ষে আর মতামত পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ফলে ভক্ত-সমর্থকদের মধ্যে আলোচনা ও কৌতূহল যত তুঙ্গেই উঠুক না কেন, জমা পড়া ব্যালট পেপারের বিচারে ২০২৬ সালের বিজয়ী কিন্তু ইতোমধ্যে নির্ধারিত হয়ে গেছেন।
চলতি বছরের এই মহাযুদ্ধের দৌড়ে বেশ কয়েকজন মহাতারকার নাম বেশ জোরেসোরেই উচ্চারিত হচ্ছে। লড়াইয়ের শীর্ষ সারিতে আছেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসি, স্প্যানিশ বিস্ময়-বালক লামিন ইয়ামাল, ইংলিশ গোলমেশিন হ্যারি কেইন এবং ফরাসি পোস্টার বয় কিলিয়ান এমবাপে।
তবে কার অবস্থান শীর্ষে আর কেই-বা পিছিয়ে পড়েছেন, তা পুরোটাই বন্দি রয়েছে জুরিদের গোপন নম্বরে। আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশের আগে কোনো খেলোয়াড়কেই নিশ্চিত বিজয়ী বলা সমীচীন হবে না।
আগামী ২৬ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে এক জমকালো আড়ম্বরের মধ্য দিয়ে বিজয়ী তারকার নাম বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচন করা হবে। ট্রফি হস্তান্তরের ওই মুহূর্ত পর্যন্ত বিজয়ীর নাম সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।




