মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

রিজওয়ানকে মুখ খুলতে দিচ্ছে না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম

শেয়ার করুন:

রিজওয়ানকে মুখ খুলতে দিচ্ছে না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড

পাকিস্তান ক্রিকেটের চলমান তদন্ত নিয়ে মুখ খুলতে চেয়েছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। নিজের ফোন জব্দ হওয়া আর ওঠা অভিযোগগুলোর ব্যাপারে সাধারণ মানুষের সামনে স্পষ্ট অবস্থান জানাতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছে দুইবার অনুমতি চাওয়া সত্ত্বেও কোনো সাড়া পাননি এই উইকেটকিপার-ব্যাটার। জিও নিউজের সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি ইংল্যান্ড সফর থেকে পিসিবি সাতজন ক্রিকেটারকে দেশে ফিরিয়ে আনে। সেই তালিকায় ছিলেন রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হকও। এরপর তাদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য দুর্নীতি ও অনলাইন জুয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করে পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ)। দুই ঘণ্টা ধরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একই সময় পিসিবির নিরাপত্তা দল তাদের মোবাইল ফোনও নিয়ে নেয়।

পুরো ঘটনা নিয়ে জনসমক্ষে নিজের কথা বলতে চেয়েছিলেন ৩৪ বছর বয়সী রিজওয়ান। অভিযোগগুলোর ব্যাখ্যা দিতে চেয়েছিলেন তিনি। এমনকি আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের কাছে তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চেয়ে চিঠিও দিয়েছিলেন। সেই চিঠির কারণও প্রকাশ্যে বলতে চেয়েছিলেন।

কেন্দ্রীয় চুক্তির শর্ত অনুযায়ীই তিনি পিসিবির অনুমতি চেয়েছিলেন। চুক্তির ৪.১ ধারায় বলা আছে, চুক্তির আওতাভুক্ত কোনো বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার আগে খেলোয়াড়কে বোর্ডের অনুমতি নিতে হবে। কিন্তু রিজওয়ানের দুই আবেদনেই পিসিবি সম্মতি দেয়নি।

জিও নিউজের সূত্রের দাবি, রিজওয়ানের উদ্দেশ্য পিসিবি বা অন্য কোনো সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা নয়। তিনি শুধু ঘটনার পুরো ধারাবাহিকতা ও নিজের অবস্থান মানুষের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন।

এদিকে লাহোর হাইকোর্টে শুনানির সময় রিজওয়ানের আইনজীবী কাজি উমাইর আলী প্রধান বিচারপতি আলিয়া নীলমকে জানান, টেস্ট শেষে তাকে একটি হোটেলের লবিতে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিন ঘণ্টার মধ্যে ফোন ফেরত দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়ে ফোন নেওয়া হয়। কিন্তু এখনো সেটি ফেরত দেওয়া হয়নি।

আগে জিও নিউজকে সূত্র জানিয়েছিল, ফোন জব্দের বিষয়ে আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটের (এসিইউ) কাছ থেকেও দিকনির্দেশনা চেয়েছিলেন রিজওয়ান। আইসিসি বা ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতেন কি না, কিংবা তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না—সেটাও জানতে চেয়েছিলেন তিনি। এছাড়া ফোন চাওয়া, হস্তান্তর ও ফরেনসিক পরীক্ষার প্রক্রিয়া আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন কোডের সঙ্গে মিল আছে কি না, সে বিষয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন।

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর