জাপানের নাগাই স্টেডিয়ামে সোমবার যখন বাংলাদেশের মেয়েরা মাঠে নামল, তখন তাদের কাঁধে ভারী একটা বোঝা ছিল। গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে মোট ১৬ গোল খেয়ে দলটা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল।
সেই ধাক্কা সামলে শেষ ম্যাচে মিয়ানমারের বিপক্ষে জাল অক্ষত রেখে ১ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে টাইগ্রেস মেয়েরা।
ম্যাচ শুরুর পরপরই মিয়ানমার চাপ তৈরি করতে থাকে। দ্বিতীয় মিনিটেই দুটি শট এসে যায়, একটিকে দারুণভাবে সামলে নেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক। বিশ মিনিটে আরেকটি আক্রমণও রক্ষণভাগ ব্লক করে দেয়।
বাংলাদেশও সুযোগ খুঁজছিল। উনিশ মিনিটে আফঈদা খন্দকারের ফ্রি-কিক আর চল্লিশ মিনিটে ঋতুপর্ণা চাকমার শট যদি লক্ষ্যভেদ করত, তাহলে ম্যাচের চেহারা পাল্টে যেত।
প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দল সমানে সমান লড়াই করে। শেষের দিকে মিয়ানমার জয়ের গোল খুঁজতে মরিয়া হয়ে ওঠে।
সাতাত্তর থেকে আটাত্তর মিনিটের মধ্যে কয়েকটি বিপজ্জনক আক্রমণ ও কর্নার এলেও বাংলাদেশের গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডাররা শক্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। ছিয়াশি মিনিটে ঋতুপর্ণার জোরালো শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে ফিরে আসে। তারপর আর কোনো গোল হয়নি।
শেষ বাঁশি বাজার পর দুই দলই গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে। এফ গ্রুপে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে এশিয়াড থেকে বিদায় নিল বাংলাদেশ।




