চলতি বছরের শুরুর দিকেই আফগানিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব হারিয়েছেন রশিদ খান। আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি) যখন অভিজ্ঞ এই স্পিনারকে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের জাতীয় দলের অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়ে দেয়, তখন তাঁকে আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি বলে দাবি করেছেন এই তারকা লেগ-স্পিনার। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে আফগানিস্তান বিদায় নেওয়ার পর রশিদের পরিবর্তে ওপেনিং ব্যাটার ইব্রাহিম জাদরানকে টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ দেয় বোর্ড।
রেড বুল আয়োজিত 'ক্রিকইনফো'র এক সাক্ষাৎকারে রশিদ খান বলেন, "সত্যি বলতে ওই সময়ে ঠিক কী ঘটেছিল তা আমার জানা নেই। বোর্ডের অফিসিয়াল ঘোষণার পরই আমি অধিনায়কত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি প্রথম জানতে পারি।"
২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খারাপ পারফরম্যান্স থাকলেও রশিদের অধীনে টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানের রেকর্ড বেশ প্রশংসনীয় ছিল। তাঁর নেতৃত্বে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল আফগানরা, যা তাদের ইতিহাসের সেরা অর্জন। অধিনায়ক হিসেবে ৪৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ২৬টিতে জয় এবং ২২টিতে পরাজয়ের মুখ দেখেন রশিদ। জয়ের আনুপাতিক হারে কেবল আসগর আফগানই তাঁর চেয়ে এগিয়ে ছিলেন, তবে সেই সময়ে আফগানিস্তান তুলনামূলক নিম্মমানের দলগুলোর বিরুদ্ধে বেশি ম্যাচ খেলত।
বিতর্ক নিয়ে রশিদ খান যোগ করেন, "আমার অধিনায়কত্বে আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছি। তবে মাঝে মাঝে কিছু বিষয় নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। যাই হোক, আমি বিষয়টা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে গিয়েছি। আমি অধিনায়ক থাকি বা না থাকি, দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটাই আমার কাছে গর্বের। নিজের দক্ষতা দিয়ে আফগানিস্তানকে ম্যাচ জেতানোই এখন আমার প্রধান নিয়ন্ত্রণযোগ্য লক্ষ্য।"
পূর্ণমেয়াদী অধিনায়ক হিসেবে ইব্রাহিম জাদরানের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট ছিল ভারতের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ, যেখানে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে আফগানিস্তান। উক্ত সিরিজে ৪ উইকেট পেলেও ৯.৮২ ইকোনমি রেটে ১১৩ রান খরচ করেছেন রশিদ।




