বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) গত দুই আসরে উঠা দুর্নীতির অভিযোগে আরও দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোডের আওতায় কয়েকটি গুরুতর ধারায় অভিযুক্ত করা হয়েছে এদের।
অভিযুক্ত দুজন হলেন- বিপিএলের ১২তম আসরের চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিক মো. আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ এবং ১১তম আসরের দুর্বার রাজশাহী ও ১২তম আসরের চট্টগ্রাম রয়্যালসের দলীয় কর্মকর্তা মো. আমিন খান। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
উভয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিং এবং ম্যাচের ফল অন্যায়ভাবে প্রভাবিত করার ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিসিবি জানিয়েছে, অভিযুক্ত রাশেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রস্তাব পেয়েও তা গোপন রাখা, তদন্তকারীদের সহায়তা না করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি পরীক্ষার জন্য নিজের ব্যবহৃত মূল মোবাইল ফোনটি তদন্তকারী দলের কাছে জমা দিতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।
অন্যদিকে কর্মকর্তা আমিনের বিরুদ্ধে অন্য কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিগ্রস্ত আচরণের দিকে প্ররোচিত করা বা সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং প্রাসঙ্গিক প্রমাণ গোপন ও ধ্বংস করার অভিযোগও যুক্ত রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
দুজনকেই তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং চার্জ নোটিশ পাওয়ার পর থেকে অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
বিপিএলে দুর্নীতি দমনে বিসিবি আকসু যে ব্যাপক তদন্ত পরিচালনা করছে, এটি তারই অংশ। চলতি মাসের শুরুর দিকে বিপিএলের সাথে জড়িত বিসিবির সাবেক তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগে চার্জগঠন করা হয়েছিল।
বিসিবি ইন্টারগ্রিটি ইউনিটের স্বাধীন চেয়ারম্যান অ্যালেক্স মার্শাল জানিয়েছেন যে, একাধিক বিষয়ে এখনও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে এবং আগামী দিনে এই সংক্রান্ত আরও নতুন ঘোষণা আসতে পারে।




