সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

শতবর্ষের রেকর্ডে চোখ, নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে বার্সা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩১ পিএম

শেয়ার করুন:

শতবর্ষের রেকর্ডে চোখ, নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে বার্সা

ক্যাম্প ন্যুতে এখন শুধু জয়ের গন্ধ। ২০২৬-২৭ মৌসুম শুরুর পর থেকে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে বার্সেলোনা একবারও হোঁচট খায়নি। কোচ হানসি ফ্লিকের হাত ধরে কাতালানরা প্রথম ছয় ম্যাচেই ছয়টি জয় তুলে নিয়েছে। এতে ক্লাবে জমে উঠেছে আত্মবিশ্বাস, আর সমর্থকরা স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে নতুন কোনো রেকর্ডের।

লা লিগায় এলচে, অ্যাথলেটিক ক্লাব, রায়ো ভায়েকানো, ভ্যালেন্সিয়া ও লেভান্তের বিপক্ষে পাঁচ জয়। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম ম্যাচে ফেইনুর্দকেও হারিয়েছে তারা। এই শতভাগ সাফল্য বার্সাকে মৌসুমের একেবারে শুরুতেই শিরোপার অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার বানিয়ে দিয়েছে।

ক্লাবের প্রায় ১২৫ বছরের ইতিহাসে এমন সূচনা আগে মাত্র তিনবার হয়েছিল। ১৯২৯-৩০ মৌসুমে জেমস বেলামির দল, ১৯৬০-৬১ মৌসুমে লিউবিসা ব্রোসিকের দল এবং ২০১৮-১৯ মৌসুমে আর্নেস্তো ভালভার্দের বার্সা প্রথম ছয় ম্যাচে জিতেছিল। কিন্তু তিন দলই সপ্তম ম্যাচে থেমে যায়, একবার অ্যাথলেটিক ক্লাবের কাছে, একবার অ্যাথলেতিকো মাদ্রিদের কাছে আর একবার জিরোনার সঙ্গে ড্র করে। এবার ফ্লিকের দল সেই বাধা পেরিয়ে নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ পাচ্ছে।

লেভান্তের বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয় শুধু শক্তিই নয়, কিছু দুর্বলতাও দেখিয়েছে। লামিনে ইয়ামাল জোড়া গোল করে আবারও পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন। গোল করেছেন জাভি এসপার্ত ও করিম আদিয়েমিও। এই জয়ে রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে তিন পয়েন্ট এগিয়ে বার্সা টেবিলের শীর্ষে। তবে রক্ষণে কিছু আলগা ভাব ছিল। শেষ দিকে ইভান রোমেরো ও রজার ব্রুগের গোলে ম্যাচটা কিছুটা চাপে পড়ে। ফ্লিক নিজেই বলেছেন, এটি তাদের সেরা খেলা ছিল না এবং দ্বিতীয়ার্ধে আরও উন্নতি দরকার।

মাঝমাঠে রদ্রির উপস্থিতি আর অধিনায়ক রাফিনহার অক্লান্ত দৌড় জয়ের ধারা ধরে রাখতে সাহায্য করছে। ইয়ামালের আক্রমণাত্মক ঝলকানি আর সতীর্থদের লড়াকু মনোভাব কঠিন সময়েও বার্সাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর