রবিবার হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ২-২ ব্যবধানে রুখে দিয়েছে এভারটন। অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা এইন্সলি মেটল্যান্ড-নাইলস একদম শেষ শটে এক অসাধারণ গোল করে দলকে গুরুত্বপূর্ণ ১ পয়েন্ট এনে দেন।
৮৭তম মিনিটে বেঞ্জামিন সেস্কোর হেডার গোল করে সফরকারী ইউনাইটেডকে জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে গিয়েছিলেন বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু বদলি হিসেবে নামা মেটল্যান্ড-নাইলস ৩০ গজ দূর থেকে এক শটে গোল করে এভারটনের চলতি মৌসুমের অপরাজিত যাত্রাকে টিকিয়ে রাখেন। এই ড্রয়ের পর ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার ১১ নম্বরে রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। অন্যদিকে সমান ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে ৮ নম্বর স্থানে রয়েছে এভারটন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্রায়ান এমবিউমোর চমৎকার একক প্রচেষ্টার গোলে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। তবে ধীরে ধীরে খেলায় ফিরে আসে এভারটন এবং টাইরিক জর্জের দূরপাল্লার জোরালো শটে সমতায় ফেরে। এরপর ম্যাচের শেষভাগে সেস্কো এবং মেটল্যান্ড-নাইলসের গোল দুটি নাটকীয়তা বাড়ায়।
দুইবার এগিয়ে গিয়েও ৩ পয়েন্ট না পাওয়ায় নিশ্চয়ই হতাশ হবে ইউনাইটেড, যাদের হয়ে প্রথমার্ধে ব্রুনো ফার্নান্দেসের শট বারে লেগে ফিরে এসেছিল। তবে সীমিত স্কোয়াড থাকা সত্ত্বেও এভারটন দারুণ আক্রমণাত্মক মনোভাব প্রদর্শন করে এবং অন-টার্গেটে বেশি শট রেখে লড়াই চালিয়ে যায়, যা তাদের ট্রান্সফার উইন্ডো নিয়ে সমালোচনা দূর করতে সাহায্য করবে।
প্রথমার্ধে ম্যাথিউস কুনহা সুবিধাজনক পজিশন থেকে বল ওপরে মারেন। তবে প্রথমার্ধের সবচেয়ে বড় সুযোগটি পেয়েছিলেন এভারটনের ফরোয়ার্ড থিয়ার্নো ব্যারি, যিনি মার্লিন রলের বাড়ানো ক্রস থেকে ফাঁকায় পেয়েও বল বারের ওপর দিয়ে পাঠান।
দ্বিতীয়ার্ধের এক মিনিটের মধ্যেই কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে যায় ইউনাইটেড। ডান দিক থেকে কাট করে ভেতরে ঢুকে বক্সের কোণ থেকে বাঁ পায়ের শটে দূরের পোস্টে বল জালে জড়ান এমবিউমো। এরপর কুনহাকে গোল করা থেকে বঞ্চিত করেন জেমি তারকোভস্কির দারুণ একটি লাস্ট-ডিচ ট্যাকল। ৬৬তম মিনিটে মার্সিসাইডে নিজের দ্বিতীয় লোনের মেয়াদে খেলতে জ্যাক গ্রিলিশকে মাঠে নামায় এভারটন, যা তাদের আক্রমণে নতুন গতি আনে।
৮২তম মিনিটে টাইরিক জর্জ ইউনাইটেড গোলরক্ষক সেনে লামেন্সের কাছে নিয়ার পোস্টে জোরালো শটে গোল করে খেলায় ১-১ সমতা ফেরান। ৮৭তম মিনিটে লুক শ’র ক্রস থেকে সেস্কো হেডে গোল করে ইউনাইটেডের জয় নিশ্চিত ভেবেছিলেন, কিন্তু একদম শেষ মুহূর্তে মেটল্যান্ড-নাইলস তাঁর জাদুকরী গোলটি উপহার দেন।




