শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

‘প্যান্ট বদলানোর মতো সিদ্ধান্ত বদলায় পাকিস্তান’

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৮ পিএম

শেয়ার করুন:

‘প্যান্ট বদলানোর মতো সিদ্ধান্ত বদলায় পাকিস্তান’

প্রথম টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দিয়েও পরের ম্যাচে বাদ, তারপরই দেশে পাঠিয়ে দেওয়া। সালমান আলি আগার সঙ্গে এমন আচরণ দেখে সাবেক কোচ জেসন গিলেস্পি চুপ থাকতে পারেননি। ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান দলের সিদ্ধান্তগুলোকে তিনি অস্থির ও অসম্মানজনক বলেই মনে করছেন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টেস্টে বড় হারের পর পাকিস্তান দলে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়। সাতজন খেলোয়াড়কে দেশে ফেরানোর পাশাপাশি প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকে সরিয়ে মাইক হেসন ও অ্যাশলি নফকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। লিডসের প্রথম টেস্টে সালমান আলি আগা অধিনায়ক ছিলেন। ইনিংস ও ১০৩ রানের হারের পর দ্বিতীয় টেস্টে তিনি একাদশে জায়গা পাননি। তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগেই তাকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এই সিদ্ধান্ত নিয়ে গিলেস্পি প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অধিনায়কত্ব করার পর সালমান আলি আগা দ্বিতীয় টেস্টে বাদ পড়ল, এরপর তৃতীয় টেস্টের আগে তাকে দেশে ফেরার বিমানে তুলে দেওয়া হলো। এমনটা কীভাবে হয়?’ পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে তিনি জানান, ‘দলের অস্থিরতার কারণে তারা ভয় নিয়ে মাঠে নামছেন।’

নির্বাচন প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে গিলেস্পি আঙুল তুলেছেন প্রধান নির্বাচক ও হাই পারফরম্যান্স পরিচালক আকিব জাভেদের দিকে। তার মতে, ‘তাদের কোনো নির্বাচন কৌশলই নেই, বিশেষ করে আকিব জাভেদের অধীনে। তারা প্রতিদিন নিজেদের সিদ্ধান্ত বদলায়-যেভাবে প্রতিদিন প্যান্ট বদলায়।’ বাদ পড়া খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগের ধরনও তার কাছে অগ্রহণযোগ্য। অনেক খেলোয়াড় পরিবার, বন্ধু বা গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন যে তাদের দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এটাকে তিনি অত্যন্ত অসম্মানজনক বলে মনে করেন।

মাঠের পারফরম্যান্সের সঙ্গে মাঠের বাইরের ব্যবস্থাপনার যোগসূত্র তুলে ধরে গিলেস্পি বলেছেন, মাঠে ধারাবাহিকতা চাইলে মাঠের বাইরেও স্থিতিশীল থাকতে হবে। ২০২৪ সালে তিনি পাকিস্তানের কোচ থাকাকালীন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল দল। কিন্তু সেই বছরের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত আটটি টেস্ট সিরিজের মধ্যে মাত্র একটিতে জয় এসেছে।

এত সমালোচনার পরও গিলেস্পি পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের প্রতিভা নিয়ে আশাবাদী। তিনি মনে করেন, দেশে বিশ্বমানের প্রতিভার অভাব নেই। শুধু মাঠের বাইরে সঠিক সমর্থন ও স্থিতিশীল পরিবেশ দিতে পারলেই তারা ভালো ফল করতে পারবে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ তে পিছিয়ে থাকা পাকিস্তান আগামী ৯ সেপ্টেম্বর এজবাস্টনে তৃতীয় ও শেষ টেস্টে নামবে।

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর