ম্যাকাই টেস্টে বাংলাদেশকে মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস শুরুতেই ভয়াবহ চাপের মুখে পড়েছিল। শরিফুল ইসলামের প্রথম ওভারেই দুই বড় উইকেট পড়ে যাওয়ায় মনে হচ্ছিল, স্বল্প রানেই অজিদের অলআউট করে ফেলবে টাইগার পেসাররা। কিন্তু স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের অভিজ্ঞ জুটি সেই স্বপ্নকে আপাতত থামিয়ে দিয়েছে।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া ১৬.৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৯২ রান করেছে। ইতোমধ্যে তাদের লিড দাঁড়িয়েছে ২৮ রানে। স্মিথ অপরাজিত ২৩ এবং গ্রিন ১৮ রানে ব্যাট হাতে রয়েছেন।
বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ শুরুতেই দারুণ কাজ করেছিল। এবাদত হোসেনকে বাদ দিয়ে শরিফুলকে একাদশে রাখার সিদ্ধান্ত যে কতটা সঠিক ছিল, তা প্রমাণ করে দিয়েছেন এই বাঁহাতি পেসার। তৃতীয় বোলার হিসেবে এসেই নিজের প্রথম ওভারে দুই উইকেট তুলে নেন তিনি।
আরও পড়ুন-বিরল রেকর্ড শরিফুলের
আরও পড়ুন-বাংলাদেশের বিপক্ষে বিধ্বংসী ফাইফারে ইতিহাস স্টার্কের
ম্যাচের তৃতীয় ওভারে তাসকিন আহমেদ প্রথম ভাঙন আনেন। ১০ বছর পর টেস্টে ফিরে ওপেনিংয়ে নেমে ম্যাট রেনশ তাসকিনের সুইং করা বলে ব্যাটের প্রান্ত ছুঁয়ে থার্ড স্লিপে তানজিদ তামিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে বেরিয়ে যান। মাত্র ১০ বলে ৮ রান করেই ফিরতে হয় তাকে। দলীয় স্কোর তখন ২২।
এরপর অষ্টম ওভারে শরিফুল ইসলাম ঝড় তোলেন। ট্রাভিস হেড কাট করতে গিয়ে ব্যাটের ভেতরের কানায় লেগে বল সোজা স্টাম্পে গিয়ে পড়ে। ২৬ বলে ২২ রান করে ভালো শুরু করলেও সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। একই ওভারে মার্নাস লাবুশেনও বোল্ড হন। বল থাই প্যাডে লেগে নাটকীয়ভাবে লেগ স্টাম্পে আছড়ে পড়ে। লাবুশেন মাত্র ৪ রান করেই ফিরে যান।
শরিফুলের সেই দারুণ শুরু অজিদের ইনিংসকে একেবারে নাস্তানাবুদ করে দিয়েছিল। কিন্তু স্মিথ ও গ্রিন এখন স্থিতিশীল হয়ে লিড বাড়িয়ে চলেছেন। বাংলাদেশের পেসাররা এখন আরও একবার ভাঙন আনার চেষ্টা করবেন কি না, সেটাই দেখার বিষয়।




