দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ব্যাটার এবি ডি ভিলিয়ার্স মনে করেন, বিশ্ব ক্রিকেটে একসময় যা ছিল প্রতিপক্ষের কাছে ভয়ের কারণ, পাকিস্তানের সেই বোলিং আক্রমণের ধার এখন অনেকটাই কমে গেছে।
ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট শুরুর আগে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে জো রুটকে পুনরায় ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ও স্টিফেন ফ্লেমিংকে প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় প্রশংসায় ভাসান ডি ভিলিয়ার্স। পরবর্তীতে পাকিস্তানের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি জানান, বোলিং বিভাগই দলটির জন্য মূল দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডি ভিলিয়ার্স বলেন, “আমার মতে মূল সমস্যাটি হলো তাদের সেই এক্সপ্রেস পেস ও বোলিং আক্রমণের সেই ভয়ের ছাপ কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।”
নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ওয়াসিম আকরাম, শোয়েব আখতার, ওয়াকার ইউনুস এবং মোহাম্মদ আসিফের মতো পাকিস্তানি পেসারদের মুখোমুখি হওয়ার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, শাহিন শাহ আফ্রিদি বা নাসিম শাহদের সুনাম থাকলেও ধারাবাহিকভাবে প্রভাব ফেলতে পারছেন না তারা।
“পাকিস্তানি বোলার হিসেবে তাদের একটা সুনাম এখনও রয়ে গেছে ঠিকই, কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্সে সেই পরিশ্রম বা প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না,” যোগ করেন ডি ভিলিয়ার্স। টেস্টে প্রতিপক্ষের ২০টি উইকেট তুলে নেওয়ার মতো ধারাবাহিকতার অভাবকেই সম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হারসহ গত তিন বছরের ব্যর্থতার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।
দলীয় অধিনায়ক বাবর আজমের প্রসঙ্গে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, আঙুলের চোট নিয়ে মাঠে ফেরা বাবরের প্রধান কাজ হবে ব্যাট হাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া। ব্যাট হাতে রান পেলেই অধিনায়কত্বের ওপর চাপ কমবে এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করেন তিনি।
তবে প্রথম দিনেই ইংল্যান্ডের দাপটের কাছে পাকিস্তান ব্যাকফুটে চলে যায়। হেডিংলি টেস্টের প্রথম দিনেই অলি রবিনসন ও জশ টাংয়ের ৫টি করে উইকেটের তোপে ১৭১ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে দিনশেষে ২ উইকেটে ১১২ রান তোলে ইংল্যান্ড, যা পাকিস্তানের চেয়ে মাত্র ৫৯ রান পিছিয়ে।




