বৃষ্টির কারণে ৫৫ ওভারের খেলা নষ্ট হওয়ার দিনে চালকের আসনেই রয়েছে ভারত। গলে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনশেষে ৯ উইকেটে ৪৬০ রান তুলেছে সফরকারীরা। দেবদূত পাডিক্কালের দারুণ সেঞ্চুরি এবং ধ্রুব জুরেলের হাফ-সেঞ্চুরিতে বড় স্কোরের ভিত্তি পায় ভারত। তবে অভিষেক টেস্টেই লঙ্কান পেসার কেশর নুয়ানথার দুর্দান্ত বোলিং শ্রীলঙ্কাকে ম্যাচে কিছুটা সমতায় ফেরায়।
বৃষ্টি ও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দিনের খেলা শুরু হয়। ২ উইকেটে ২৮৮ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে ভারত। তবে দ্বিতীয় নতুন বল নেওয়ার পরপরই উইকেট পতন শুরু হয়। নুয়ানথাকে বড় শট খেলতে গিয়ে খেসারত দেন ঋষভ পন্ত। সাজঘরে ফেরার আগে তিনি বেশি রান যোগ করতে পারেননি।
আগের দিন পেশির টানের কারণে মাঠ ছাড়া লোকেশ রাহুল ফের ব্যাটিংয়ে নামেন। কিন্তু তিনিও বেশিদূর এগোতে পারেননি। নুয়ানথার একটি টার্নিং বলে ফ্লিক করতে গিয়ে শর্ট লেগে ক্যাচ দেন তিনি।
একপ্রান্তে অবিচল থাকা পাডিক্কাল তার ইনিংসটি আরও বড় করার আভাস দিচ্ছিলেন। কিন্তু স্পিনার প্রবাথ জয়াসুরিয়ার গতিময় বলে ডাউন দ্য ট্র্যাকে খেলতে গিয়ে স্টাম্পড হন ১৬৭ রান করা এই ব্যাটার। এরপর রবীন্দ্র জাদেজাকেও এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন নুয়ানথা। ফলে ৩৭৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে ভারত।
তবে সপ্তম উইকেটে দারুণ প্রতিরোধ গড়েন ধ্রুব জুরেল ও মানব সুতার। লঙ্কান বোলারদের আলগা বলগুলোর পূর্ণ সুযোগ নিয়ে দুজনে মিলে গড়ে তোলেন ৫৫ রানের কার্যকরী এক জুটি।
হাফ-সেঞ্চুরি পূরণ করার পরপরই ধ্রুব জুরেলকে স্লিপে দুর্দান্ত এক ক্যাচে পরিণত করেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। জুরেলের ইনিংসের স্থায়িত্ব ছিল ৫০ রান। শেষদিকে মোহাম্মদ সিরাজ ও কুলদীপ যাদব কিছুটা আক্রমণাত্মক খেলে রান বাড়িয়ে নেন।
লঙ্কানদের হয়ে অভিষেক টেস্টেই ৩টি উইকেট শিকার করেন কেশর নুয়ানথা। ম্যাচে এখনও ৩ দিন বাকি থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে প্রচুর। ফলে জয় পেতে হলে ভারতকে এখন খেলার গতি আরও বাড়াতে হবে।




