ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষেও বাংলাদেশ। ১ উইকেটে ৯৬ রান নিয়ে আজ ব্যাট করতে নামা টাইগাররা দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে। মুমিনুল হকের সঙ্গে ১০২ রানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেওয়া তামিম পরে নাজমুল শান্তর সঙ্গে গড়েন ৯৩ রানের জুটি। তামিম-শান্ত জুটিতেই লিড নিশ্চিত করে সফরকারীরা। দলকে লিড এনে দেওয়ার পথে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন তরুণ এই ওপেনার। এছাড়া মুমিনুলের ৪৯, শান্তর ৮৪, মুশফিকুর রহিমের ৩৬ এবং শেষ বেলায় মেহেদী মিরাজ ও হাসান মাহমুদের প্রতিরোধী জুটির সুবাদে দিনশেষে ১৫৩ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় দিনের চা বিরতিতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ স্কোরবোর্ডে তুলেছিল ৩ উইকেটে ২৮৬ রান, লিড ছিল ৮৮ রানের। তবে চা বিরতির পর ম্যাচ আবার শুরু হলে দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারায় টাইগাররা।
দিনের শেষ সেশনের শুরুতেই নতুন বল নেয় অজিরা। আর নতুন বলই যেন কাল হয়ে দাঁড়ায় শান্তর জন্য। সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন তিনি। কিন্তু জশ হ্যাজলউডের বলে ৮৪ রানে আউট হয়েছেন দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে। তাতে ভেঙেছে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে তাঁর ৬৬ রানের জুটি।

এদিকে শান্ত ফেরার পর ক্রিজে মুশফিকের সঙ্গী হন লিটন দাস। কিন্তু লিটন আউট হয়েছে রানের খাতা খোলার আগেই। ১২ বল খেলে ০ রানে আউট হন তিনি। মিচেল স্টার্কের বলে স্টিভ স্মিথের তালুবন্দী হয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি। ২৯৭ রানে শান্ত আউট হওয়ার পর ৩০৬ রানে আউট হন লিটন।
এদিকে দ্রুত মিডল অর্ডারের গুরুত্বপূর্ণ দুই উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন বিপাকে তখন আউট হন মুশফিকও। প্যাট কামিন্সের বলে স্লিপে তিনিও স্মিথের হাতেই ধরা পড়েন। ফেরার আগে ৫৫ হলে ৩৬ রান করেন তিনি। মুশফিক আউট হন দলীয় ৩০৮ রানে। সব মিলিয়ে ১১ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।
তবে দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে মিরাজ-হাসান জুটি। বল আহতে ৬ উইকেট নেওয়া হাসান ব্যাট হাতেও গড়েন প্রতিরোধ। মিরাজের সঙ্গে জুটি গড়ে অজিদের প্রচেষ্টা রুখে দেন তিনি। দ্বিতীয় দিনের শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিত ছিলেন ৭৬ বলে ১৩ রান করে। অন্যদিকে মিরাজ রান বাড়িয়েছেন স্কোরবোর্ডে ৭৩ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত আছেন তিনি।




