স্বপ্নের মতো শুরু করা প্রথম সেশনের পর বাংলাদেশ একটু জায়গা ছেড়ে দিলেও দ্বিতীয় সেশনে ফিরে এসেছে পুরনো চাপ। অস্ট্রেলিয়ার দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান স্টিভেন স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারি ৫৫ রানের জুটি গড়ে দলকে কিছুটা স্বস্তি দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সহজে রান আসেনি। বাংলাদেশের বোলারদের কড়া আক্রমণের মুখে টিকে থেকেই তারা রান তুলছিলেন।
দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ঘণ্টা মোটামুটি ভালোই কাটাল অস্ট্রেলিয়া। তবে পানি পানের বিরতির পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। বাংলাদেশের পেস আক্রমণ আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে। এবাদত হোসেন জুটি ভাঙার পর তাসকিন আহমেদ এসে আরও একটি উইকেট তুলে নেন। মাত্র কয়েক ওভারের মধ্যে দুই উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া চাপে পড়ে যায়। এতে বাংলাদেশ পেয়ে যায় স্বাগতিকদের ষষ্ঠ উইকেট।
বিরতির পর এবাদতের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই ক্যারির উইকেট পড়ে। একটু ভেতরের দিকে এসা বল তিনি জায়গায় দাঁড়িয়ে কাট করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু বল উইকেটে টেনে নেয় এবং ক্যারি ফিরে যান। অস্ট্রেলিয়া তখন ১২৯ রানে পাঁচ উইকেট হারায়। এবাদত তুলে নেন নিজের দ্বিতীয় উইকেট।
উইকেটে স্মিথের নতুন সঙ্গী হয়ে আসেন ওয়েবস্টার। তিনি ক্রিজে নেমেই আক্রমণাত্মক মনোভাব দেখান। প্রথম নয় বলে দুটি চার হাঁকান। কিন্তু তাসকিন বোলিংয়ে এসে সব হিসাব ওলটপালট করে দেন। অফ স্টাম্পের করিডোরে লেন্থ বল করে ওয়েবস্টারকে ফেরান। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া আবার চাপে চলে যায়। বাংলাদেশ তখন স্পষ্টভাবে উপরের হাত পেয়ে যায়।
সঙ্গী হারানোর পরও স্মিথ বিচলিত হননি। তিনি নিজের ফিফটি তুলে নেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ৭ উইকেটে ১৭২। স্মিথ ব্যাটিং করছেন ৫৮ রানে এবং তার নতুন সঙ্গী হয়ে মাঠে নেমেছেন মিচেল স্টার্ক।




