এজেন্ট সংক্রান্ত ৭৪টি নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়টি স্বীকার করে নেওয়ার পর ইংলিশ ফুটবল ক্লাব চেলসিকে ১০ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) জরিমানা করেছে ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। এর পাশাপাশি ক্লাবটির ওপর দুই উইন্ডোর জন্য ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, যা আগামী ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
ইতোপূর্বে একটি স্বাধীন কমিশন ক্লাবটির ওপর ১০ মিলিয়ন পাউন্ড জরিমানার পাশাপাশি স্থগিত ৬ পয়েন্ট কাটার শাস্তি আরোপ করেছিল। তবে চেলসি সেই শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বোর্ড পয়েন্ট কাটার সিদ্ধান্তটি বাতিল করে এবং এর পরিবর্তে স্থগিত ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়। নির্ধারিত সময়সীমার (৩০ জুন ২০২৭) মধ্যে চেলসি যদি পুনরায় একই ধরনের অনিয়ম করে, তবেই এফএ এই ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে।
২০২২ সালে রাশিয়ান ধনকুবের রোমান আব্রামোভিচের কাছ থেকে চেলসির মালিকানা যখন নতুন গ্রুপ গ্রহণ করে, তখন তারাই ক্লাবের আগের আমলের এজেন্ট ও মধ্যস্থতাকারীদের সাথে আর্থিক অনিয়মের নথিগুলো ফুটবল কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয়। পরবর্তীতে গত বছরের সেপ্টেম্বরে এফএ চেলসির বিরুদ্ধে এজেন্টের অনিয়ম ও থার্ড-পার্টি বিনিয়োগ সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে।
এফএ তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, চেলসির জরিমানা হিসেবে প্রাপ্ত ১০ মিলিয়ন পাউন্ডের (প্রায় ১৬৫ কোটি টাকা) পুরো অর্থ তৃণমূল ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা হবে। এছাড়া এই অনিয়মের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এফএ।
শাস্তি ঘোষণার পর চেলসি এক বিজ্ঞপ্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করে জানায়, স্বপ্রণোদিত হয়ে নথিপত্র জমা দেওয়ার পর থেকে তারা তদন্ত সংস্থাকে সব ধরনের সহযোগিতা করেছে এবং এফএ-র এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ক্লাবের অতীতের সমস্ত প্রশাসনিক অনিয়ম সম্পর্কিত তদন্তের ইতি ঘটল।




