রোববার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

সিরিজ হারের পর অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম

শেয়ার করুন:

সিরিজ হারের পর অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ জিতে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ। তবে সংক্ষিপ্ত সংস্করণে সেই ফর্ম ধরে রাখতে পারেননি টাইগাররা। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুইটিতে হেরে সিরিজ খোয়ানো লাল-সবুজের দল আজ হেরেছে শেষ ম্যাচেও। টানা তিন হারে হোয়াইটওয়াশ হয়ে সিরিজ হারল স্বাগতিকরা। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল টাইগাররা। তবে ত্বহিদ হৃদয়ের ৬১ রানের ইনিংসের সুবাদে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১০৯ রান করতে সক্ষম হয় দল। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১ উইকেট হারালেও মিচেল মার্শের ২৮ বলে ৬০ রানের ঝড়ো ইনিংসের সুবাদে ১১ ওভারেই ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় অজিরা, নিশ্চিত করে হোয়াইটওয়াশ। 

১১০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাট করেছেন অজি অধিনায়ক মার্শ। আরেক ওপেনার জশ ইংলিসের সঙ্গে গড়েন ৫৪ রানের উদ্বোধনী জুটি। ১৭ রান করে ইংলিস সাজঘরে ফিরলেও মার্শ দলের জয়ের ভিত গড়ে দেন। 

আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে অজি এই ওপেনার ২৩ বলেই তুলে নেন ফিফটি। কুপার কনোলিকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত রান তোলেন মার্শ। ২৮ বলের ইনিংসে ৪টি ছয় এবং ৭টি ছক্কা হাঁকান এই ওপেনার। ২৮ বলে ৬০ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে শামীম হোসেনের মুঠোবন্দী হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। 

BCB09291

তবে মার্শ ফিরলেও অস্ট্রেলিয়ার জয় তুলে নিতে কোনো বেগ পেতে হয়নি। শেষদিকে আরও এক উইকেট হারালেও ৫৪ বল হাতে রেখেই ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে অজিরা।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ উইকেট হারিয়েছে ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই। দৌড়ে রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। আউট হওয়ার আগে তিনি ২ বলে ১ চারে করেন ৫ রান।  এদিকে একই ওভারে আউট হন সাইফও। স্পেন্সার জনসনের বলে মিচেল মার্শের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি। ফেরা আগে করেন ৯ বলে ১ রান। 

এদিকে দুই ওপেনারকে দ্রুতই হারিয়ে বাংলাদেশ যখন চাপে তখন ক্রিজে ছিলেন ইমন ও তাওহিদ হৃদয়। তবে এ জুটিও বড় হয়নি। দলীয় ১১ রানে নাথান এলিসের বলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন ইমন। দলীয় ১১ রানেই ইমন ফেরার পর দ্রুত আরও ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে লাল-সবুজের দল। 

Screenshot_2026-06-21_154013

তৃতীয় ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা নুরুল হাসান সোহান ৮ বলে ৬ রান করে আউট হন। এরপর শামীম পাটোয়ারিও দলের হাল ধরতে পারেননি। দলীয় ৩৪ রানে সোহান আউট হওয়ার পর দলীয় ৩৬ রানেই বিদায় নেন শামীমও। ফলে ৩৬ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। 

এদিকে ৫ উইকেট হারিয়ে দল যখন চাপে তখন হৃদয়ের সঙ্গে ছোট্ট এক জুটি গড়তে সক্ষম হন রিশাদ হোসেন। এ দুজনের ২০ বলের জুটিতে স্কোরবোর্ডে ওঠে ২৬ রান। ১৪ বলে ১৬ রান করে রিশাদ আউট হলে ভাঙে এ জুটি। শেষদিকে শরিফুল ইসলামের সঙ্গেও ২১ রানের এক জুটি গড়েন হৃদয়। লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করা হৃদয় পেয়েছেন ফিফটির দেখাও।

শেষ পর্যন্ত হৃদয় অপরাজিত ছিলেন ৬১ রানে। নবম উইকেটে তাসকিন আহমেদের সঙ্গে তিনি গড়েছিলেন ১৭ বলে ২৩ রানের জুটি। ৩ চার আর ৩ ছয়ে ৫১ বলে ৬১ করা হৃদয়ের ৬১ রানের ইনিংসের সুবাদেই শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১০৯ রানের সংগ্রহ গড়তে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।  

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর