অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আজ বাংলাদেশের সম্মান বাঁচানোর লড়াই। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হেরেই সিরিজ খুইয়েছে টাইগাররা। হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে আজ তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছে স্বাতিকরা। বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে লাল-সবুজের দলের শুরুটা হয় দুই ওভারের মধ্যেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে। এরপর ব্যাটিং বিপর্যয়ের চিত্রই দেখা গেছে। ৩৬ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল দল। তবে একপ্রান্তে দ্রুত উইকেট হারালেও আরেক প্রান্তে প্রতিরধ গড়েছিলেন তাওহিদ হৃদয়। শেষ পর্যন্ত হৃদয়ের ৬১ রানের প্রতিরোধী ইনিংসের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১০৯ রানের সংগ্রহ গড়তে পেরেছে বাংলাদেশ।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ উইকেট হারিয়েছে ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই। দৌড়ে রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। আউট হওয়ার আগে তিনি ২ বলে ১ চারে করেন ৫ রান।
এদিকে একই ওভারে আউট হন সাইফও। স্পেন্সার জনসনের বলে মিচেল মার্শের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি। ফেরা আগে করেন ৯ বলে ১ রান।

এদিকে দুই ওপেনারকে দ্রুতই হারিয়ে বাংলাদেশ যখন চাপে তখন ক্রিজে ছিলেন ইমন ও তাওহিদ হৃদয়। তবে এ জুটিও বড় হয়নি। দলীয় ১১ রানে নাথান এলিসের বলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন ইমন। দলীয় ১১ রানেই ইমন ফেরার পর দ্রুত আরও ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে লাল-সবুজের দল।
তৃতীয় ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা নুরুল হাসান সোহান ৮ বলে ৬ রান করে আউট হন। এরপর শামীম পাটোয়ারিও দলের হাল ধরতে পারেননি। দলীয় ৩৪ রানে সোহান আউট হওয়ার পর দলীয় ৩৬ রানেই বিদায় নেন শামীমও। ফলে ৩৬ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।

এদিকে ৫ উইকেট হারিয়ে দল যখন চাপে তখন হৃদয়ের সঙ্গে ছোট্ট এক জুটি গড়তে সক্ষম হন রিশাদ হোসেন। এ দুজনের ২০ বলের জুটিতে স্কোরবোর্ডে ওঠে ২৬ রান। ১৪ বলে ১৬ রান করে রিশাদ আউট হলে ভাঙে এ জুটি। শেষদিকে শরিফুল ইসলামের সঙ্গেও ২১ রানের এক জুটি গড়েন হৃদয়। লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করা হৃদয় পেয়েছেন ফিফটির দেখাও।
শেষ পর্যন্ত হৃদয় অপরাজিত ছিলেন ৬১ রানে। নবম উইকেটে তাসকিন আহমেদের সঙ্গে তিনি গড়েছিলেন ১৭ বলে ২৩ রানের জুটি। ৩ চার আর ৩ ছয়ে ৫১ বলে ৬১ করা হৃদয়ের ৬১ রানের ইনিংসের সুবাদেই শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১০৯ রানের সংগ্রহ গড়তে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।




