অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের আজ তাই সিরিজ বাঁচানোর লড়াই। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে এ লক্ষ্যে টসে হেরে আগে বোলিং করেছে টাইগাররা। স্বাগতিক বোলারদের দাপুটে বোলিংয়ের পরও ম্যাট রেনশোর অপরাজিত ৮৯ এবং টিম ডেভিডের ২৬ বলে ৪৫ রানের ঝড়ো ইনিংসের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৬ রানের চ্যালনেজিং সংগ্রহ গড়েছে অজিরা। জিততে হলে লাল-সবুজের দলকে করতে হবে ১৯৭ রান।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই নাসুমের বলে এক চার ও এক ছয়ে ১২ রান নিয়েছিলেন দুই অজি ওপেনার। দ্বিতীয় ওভারে খরুচে ছিলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইনও। প্রথম দুই ওভারেই তাই অজিদের স্কোরবোর্ডে ওঠে ২৭ রান। তবে টাইগার বোলাররাও ফিরতে দেরি করেননি।
বিজ্ঞাপন

তৃতীয় ওভারেই অজিদের ওপেনিং জুটি ভাঙেন নাসুম। তাঁর বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে আউট হন জশ ইংলিস। আউট হওয়ার আগে ৬ বলে ১১ রান করেছেন তিনি। এরপর ক্রিজে আরেক ওয়পেনার মিচেল মার্শের সঙ্গী হন কুপার কনোলি। তবে কনোলিকে সেটই হতে দেননি নাহিদ রানা।
বাংলাদেশি এই পেসারের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে সিয়াফ হাসানের মুঠবন্দী হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন কনোলি। ১ রান করে ফিরেন তিনি। এরপর মিচেল মার্শও নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি।

বিজ্ঞাপন
মার্শকে ফিরিয়েছেন মুস্তাফিজ। অজি অধিনায়ক ক্রিজে সেট হয়েছিলেন, তবে মুস্তাফিজের বলে ক্যাচ তুলে ফিরতে হয় তাকে। এই ক্যাচটিও নিয়েছেন সাইফই। ফেরার আগে মার্শ করেন ১৯ বলে ২০ রান। নাসুমের পর রানা-মুস্তাফিজদের আঘাতে দ্রুতই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অজিরা।
তবে অস্ট্রেলিয়া সেই চাপ সামলে ওঠে ডেভিড-রেনশো জুটিতে। চতুর্থ উইকেটে এ দুজন মিলে গড়েন ৯৭ রানের জুটি। এ জুটি গড়ার পথে দুজনই খেলেছেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। ডেভিড ২৬ বলে ৪৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হলেও রেনশো খেলেছেন ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস।

২ চার এবং ৪ ছয়ে ৪৫ রান করে ডেভিড সাকলাইনের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হলেও রেনশো শেষ পর্যন্ত মারকুটে ভঙ্গিতেই খেলেছেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন জোয়েল ডেভিস, ষষ্ঠ উইকেটে এ জুটিতে স্কোরবোর্ডে ওঠে ২৪ বলে ৪২ রান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৬ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ গড়ে অস্ট্রেলিয়া। রেনশো ৮৯ এবং ডেভিস ১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন রানে। বাংলাদেশের হয়ে ২ টি উইকেট নিয়েছেন নাসুম, ১টি করে উইকেট পেয়েছেন রানা, মুস্তাফিজ, সাকলাইন।




