বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ঢাকা

ইরাকের জার্সিতে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ার পথে প্রথম পাকিস্তানি যে ফুটবলার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৩৭ এএম

শেয়ার করুন:

ইরাকের জার্সিতে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ার পথে প্রথম পাকিস্তানি যে ফুটবলার

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে একটি বিশেষ মুহূর্ত অপেক্ষা করছে, যা শুধু ইরাকের জন্য নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য গর্বের বিষয়হতে যাচ্ছে। ভোর চারটায় নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে ইরাক। ম্যাচে যদি যদি ইরাকের হয়ে মাঠে নামেন জিদান ইকবাল, তাহলেতিনি হয়ে উঠবেন পুরুষ ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়।

পাকিস্তান কখনো ফুটবল বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। তাদের ফুটবল ইতিহাসে বাছাইপর্বে মাত্র একবারই কোনোম্যাচ জয়ের রেকর্ড রয়েছে। বর্তমানে ফিফা র‍্যাংকিংয়ে ১৯৮ নম্বরে থাকা পাকিস্তান ফুটবলের জন্য বিশ্বমঞ্চে সমর্থন করার সুযোগ ছিলনা। কিন্তু এবার সেই দীর্ঘদিনের আক্ষেপ কাটিয়ে উঠতে যাচ্ছে দেশটি।


বিজ্ঞাপন


জিদান ইকবাল, যিনি বর্তমানে ডাচ ক্লাব উট্রেখটে খেলেন এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক মিডফিল্ডার, ইরাকের হয়ে খেলবেন।তার বাবা পাকিস্তানি এবং মা ইরাকি। ম্যানচেস্টারে জন্ম নেওয়া ২৩ বছর বয়সী এই ফুটবলার দুই দেশের ঐতিহ্যের প্রতি গভীরশ্রদ্ধাশীল। মাঠে নামার সময় তার বাম পায়ের বুটে ইরাকের পতাকা এবং ডান পায়ের বুটে পাকিস্তানের পতাকা আঁকা থাকে, যা তার দুইদেশের প্রতি ভালোবাসার প্রতীক।

IMG_1138জিদান ইকবাল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অ্যাকাডেমি থেকে উঠে এসে ২০ বছরের মধ্যে প্রথম ব্রিটিশ দক্ষিণ এশিয়ান হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্সলিগে খেলার কীর্তি গড়েছেন। তার এই সাফল্য দক্ষিণ এশিয়ার সাধারণ ঘরের বাচ্চাদের ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নকে নতুন প্রেরণা দেবেবলে তিনি আশাবাদী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেপাকিস্তানি ট্যালেন্টসএর পরিচালক আহমেদ শাহজাদ জানান, বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানিদের শীর্ষ স্তরেপ্রতিনিধিত্ব না থাকায় জিদান এখন পুরো দেশের আইকন। প্রবাসী এবং দেশীয় ফুটবলপ্রেমীরা এখন শুধু জিদানকেই নয়, পুরো ইরাকদলকেও সমর্থন করছেন।

ইরাককে বিশ্বকাপের মূল পর্বে পৌঁছাতে ২১টি বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলতে হয়েছে, যা একটি রেকর্ড। ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে শেষখেলেছিলো। ৪০ বছর পর তারা আবার বিশ্বকাপে খেলছে। এবারের বিশ্বকাপের একটি অংশও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা ইরাকেরজন্য অতীতের স্মৃতিকে জীবন্ত রাখছে।


বিজ্ঞাপন


গ্রুপ পর্বে ইরাকের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স, নরওয়ে এবং আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের রানার্স-আপসেনেগাল। জিদান ইকবাল বলেন, 'আমরা আন্ডারডগ, হারলেও সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু যদি জিতে যাই, তাহলে পুরো বিশ্ব চমকে যাবে।আমরা কঠোর পরিশ্রম করে সবাইকে অবাক করতে প্রস্তুত।'

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর