বিশ্বকাপের ইতিহাসে জার্মানির ৭-১ ব্যবধানে জয়ের স্মৃতি এখনও তাজা, যা তারা ১২ বছর আগে সেমিফাইনালে আয়োজক ব্রাজিলেরবিপক্ষে অর্জন করেছিল। এবারও সেই একই স্কোরলাইন পুনরাবৃত্তি হলো, যখন হিউস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জার্মানি কুরাসাওকে ৭-১ গোলেপরাজিত করল। আর তাতে দীর্ঘ ১২ বছর পর ব্রাজিল আবারও একটি ‘বন্ধু’ পেল এই জার্মানির রূপে।
২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের প্রদর্শনী করেছে জার্মানি। শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে একেরপর এক আক্রমণ চালায় তারা। এর ফলও আসে খুব দ্রুত।
বিজ্ঞাপন
ব্রাজিলিয়ানদের কাঁপিয়ে দেওয়া কে এই আইয়ুব বুয়াদ্দি
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে ফ্লোরিয়ান ভির্টজের পাস থেকে গোল করে জার্মানিকে এগিয়ে দেন ফেলিক্স নেমেচা। তবে পিছিয়ে পড়েও ভয় পায়নিবিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কুরাসাও। ২১ মিনিটে নিজেদের প্রথম উল্লেখযোগ্য আক্রমণ থেকেই গোল করেন লিভানো কোমেনেন্সিয়া।বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের প্রথম গোল পেয়ে ১-১ সমতায় ফেরে দলটি।
সমতায় ফেরার পর আরও আক্রমণ বাড়ায় জার্মানি। ৩৮ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে দারুণ হেডে গোল করে দলকে আবারওএগিয়ে দেন নিকো শ্লোটারবেক। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে গোল করেন কাই হাভার্টজ। ফলে ৩-১ ব্যবধানেএগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় জার্মানরা।
বিরতির পর আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠে জার্মানি। ৪৭ মিনিটে যোশুয়া কিমিখের পাস থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান জামাল মুসিয়ালা।
বিজ্ঞাপন
কাঁটাতারের জীবন থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ তারকা, মাবিলের লড়াইয়ের গল্প
এরপর ৬৮ মিনিটে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজের প্রথম গোলের দেখা পান নাথানিয়েল ব্রাউন। গোলটির পেছনে অবদান ছিল ডেনিজউন্ডাভের।
৭৮ মিনিটে এবার নিজেই গোলের খাতায় নাম লেখান উন্ডাভ। কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সহজ ফিনিশেব্যবধান ৬-১ করেন এই ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের শেষ দিকে আবারও গোল করেন হাভার্টজ। ৮৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের সপ্তম গোলটি করে জার্মানির বড় জয় নিশ্চিতকরেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৭-১ গোলের দাপুটে জয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করে জার্মানি।
জার্মানির হয়ে গোল করেছেন ফেলিক্স নেমেচা, নিকো শ্লোটারবেক, কাই হাভার্টজ (দুই গোল), জামাল মুসিয়ালা, নাথানিয়েল ব্রাউনএবং ডেনিজ উন্ডাভ। কুরাসাওয়ের একমাত্র গোলটি করেন লিভানো কোমেনেন্সিয়া।




