রোববার, ১৪ জুন, ২০২৬, ঢাকা

ডালাসে ডাচদের সামনে ডার্কহর্স জাপান পরীক্ষা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম

শেয়ার করুন:

ডালাসে ডাচদের সামনে ডার্কহর্স জাপান পরীক্ষা

বিশ্বকাপের মঞ্চে আজ মুখোমুখি হচ্ছে দুই ভিন্ন ফুটবল সংস্কৃতির প্রতিনিধি। একদিকে বহু বছরের ঐতিহ্য, কৌশল ও ধারাবাহিকতার প্রতীক নেদারল্যান্ডস; অন্যদিকে গত কয়েক বছরে নিজেদের সামর্থ্য দিয়ে বিশ্ব ফুটবলে আলাদা পরিচয় গড়ে তোলা জাপান। আর্লিংটনের ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচে শুধু তিন পয়েন্টের লড়াই নয়, বরং দেখা মিলবে অভিজ্ঞতা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার এক আকর্ষণীয় সংঘর্ষের।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নেদারল্যান্ডস বরাবরই শক্তিশালী দল হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে। শেষ ১৬টি গ্রুপ ম্যাচে তারা অপরাজিত রয়েছে। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডাচদের সর্বশেষ হার ১৯৩৮ সালে। এরপর একাধিক আসরে অংশ নিলেও উদ্বোধনী ম্যাচে পরাজয়ের স্বাদ পায়নি তারা।


বিজ্ঞাপন


তবে পরিসংখ্যান যতই নেদারল্যান্ডসের পক্ষে থাকুক, বর্তমান জাপানকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। কাতার বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনের মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে তারা দেখিয়েছে, বড় দলের বিপক্ষে জয় পাওয়ার মানসিকতা ও সামর্থ্য দুটোই তাদের আছে।

ডাচদের আক্রমণভাগের প্রধান ভরসা মেমফিস ডিপাই। বাছাইপর্বে গোল ও অ্যাসিস্ট দুই ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন দলের অন্যতম সেরা পারফর্মার। এছাড়া কোডি গাকপো, ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, তিজানি রেইন্ডার্স এবং ডেনজেল ডামফ্রিসের মতো ফুটবলাররা দলকে দিয়েছেন বাড়তি শক্তি।

অন্যদিকে জাপানের আক্রমণভাগে চোখ থাকবে টেকেফুসা কুবো, জুনিয়া ইতো এবং আয়াসে উয়েদার ওপর। বাছাইপর্বে এই তিন ফুটবলারের দুর্দান্ত অবদান জাপানকে এশিয়ার অন্যতম সফল আক্রমণাত্মক দলে পরিণত করেছে।

ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই হতে পারে মাঝমাঠে। নেদারল্যান্ডসের ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং বল নিয়ন্ত্রণ ও পাসিং দক্ষতায় ম্যাচের ছন্দ গড়ে দিতে সক্ষম। অন্যদিকে জাপানের অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দোর নেতৃত্বে থাকা মিডফিল্ড ইউনিট পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও প্রেসিংয়ের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে পারে। যে দল মাঝমাঠে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করবে, তারাই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে পারবে।


বিজ্ঞাপন


দুই দলের পূর্বের সাক্ষাৎগুলোতে এগিয়ে রয়েছে নেদারল্যান্ডস। বিশ্বকাপে একমাত্র দেখায় ২০১০ সালে ওয়েসলি স্নেইডারের একমাত্র গোলে জয় পেয়েছিল ডাচরা। সব মিলিয়ে তিনবারের মুখোমুখি লড়াইয়েও জাপান এখনও নেদারল্যান্ডসকে হারাতে পারেনি।

কাগজে-কলমে নেদারল্যান্ডস এগিয়ে থাকলেও জাপানের সংগঠিত রক্ষণ এবং দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক ম্যাচটিকে কঠিন করে তুলতে পারে। ডাচদের বল দখলভিত্তিক ফুটবলের বিপরীতে জাপানের গতিময় আক্রমণ। এই কৌশলগত লড়াইটিই ম্যাচের মূল আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে।

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর