বাংলাদেশ সফর শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের দলে বড় ধরনের রদবদল হয়েছে। তিনজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি দলের পরিকল্পনায় নতুনত্ব এনেছে এবং সুযোগ করে দিয়েছে উঠতি প্রতিভাদের।
ট্র্যাভিস হেড ব্যক্তিগত কারণে পুরো সফর থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। আইপিএলের পর কাজের চাপ বিবেচনায় তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। পাকিস্তান সফরের পরও তাকে দলে রাখা হয়েছিল, কিন্তু এখন তিনি দুই ফরম্যাটেই খেলবেন না। টি-টোয়েন্টি দলে তার পরিবর্তে কাকে নেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, মিচেল মার্শ গোড়ালির চোট পুরোপুরি না সারায় ওয়ানডে সিরিজে খেলতে পারবেন না। আইপিএলের সময় এই চোট পেয়েছিলেন তিনি, যার কারণে পাকিস্তান সফরেও মিস করেছেন। এখন তার লক্ষ্য টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে ফিট হয়ে ওঠা।
এছাড়া হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে ছিটকে গেছেন লেগ স্পিনার তানভীর সংঘ। আর তাদের জায়গায় এসেছেন ম্যাট শর্ট ও ওলি পিক (ওলিভার পিক)। আর তানভীর সংঘের জায়গায় প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের স্কোয়াডে ডাক পেয়েছেন অফ স্পিনার টড মার্ফি।
মার্শ ও হেড না থাকায় এবং নিয়মিত অধিনায়ক প্যাট কামিন্স বিশ্রামে থাকায় জশ ইংলিস পাকিস্তান সফরের মতো বাংলাদেশের ওয়ানডে সিরিজেও দলের নেতৃত্ব দেবেন। মার্শ সময়মতো ফিট না হলে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও তিনিই অধিনায়ক থাকবেন।
ওয়ানডে স্কোয়াড: জেভিয়ার বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, বেন ডোয়ারশুইস, নাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, জশ ইংলিস (অধিনায়ক), ম্যাথিউ কুহনেম্যান, মার্নাস লাবুশেন, টড মারফি, অলি পিক, ম্যাথিউ রেনশ, লিয়াম স্কট, ম্যাট শর্ট এবং অ্যাডাম জাম্পা।
বিজ্ঞাপন
টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড: মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, কুপার কনোলি, টিম ডেভিড, জোয়েল ডেভিস, নাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যারন হার্ডি, জশ ইংলিস, স্পেন্সার জনসন, ম্যাথিউ কুহনেম্যান, রাইলি মেরিডিথ, জশ ফিলিপে, ম্যাথিউ রেনশ ও অ্যাডাম জাম্পা।




