কানসাস সিটিতে ফুটবল বিশ্বকাপের প্রস্তুতি চলছে। ঠিক এমন সময়ে ইংল্যান্ড দলের ট্রেনিং বেসের খুব কাছে একটি ভয়ংকর গুলির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
শনিবার ভোরে দিকে ট্রুস্ট অ্যাভিনিউয়ে গুলির শব্দ শোনা যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখে বড় একটি জনতা ছত্রভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনায় মোট ৯ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। প্রথমে তিনজন নারীর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল, পরে আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় নয়জনে। সবাইকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ঘটনাস্থল ইংল্যান্ড দলের ট্রেনিং ভেন্যু সোয়োপ সকার ভিলেজ থেকে মাত্র পাঁচ মাইলেরও কম দূরত্বে। দলের হোটেলেরও খুব কাছে এলাকাটি। আর তার সঙ্গে নতুন করে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। শুধু ইংল্যান্ডই নয়, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, নেদারল্যান্ডস এবং আলজেরিয়াও কানসাস সিটিকে তাদের বেস ক্যাম্প হিসেবে নির্বাচন করেছে।
ফলে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন প্রশাসনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদিকে ঘটনার পরপরই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি গোলাগুলির কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্তও শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনা ঘটেছে ঠিক এমন এক সময়ে, যখন কানসাস সিটি পুলিশ বিশ্বকাপ নিরাপত্তায় ১৭ মিলিয়ন ডলারের ফেডারেল অনুদান পেয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তহবিল নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও তারা প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন।
ইংল্যান্ড দল এখন ফ্লোরিডায় প্রস্তুতি নিচ্ছে। শনিবার নিউজিল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়েছে তারা। আগামী বুধবার কোস্টা রিকার বিপক্ষে আরেকটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। এরপর ১৩ জুন কানসাস সিটিতে পৌঁছাবে দলটি।
বিজ্ঞাপন
সোয়োপ সকার ভিলেজে অনুশীলন করবে ইংল্যান্ড। একই শহরে আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডস দলও থাকবে। বিশ্বকাপ চলাকালীন কানসাস সিটিতে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার দর্শক আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে নিরাপত্তা ও লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ বেড়েছে অনেক গুণ।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বকাপ চলাকালে কানসাস সিটিতে অবস্থানরত সব জাতীয় দলের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা কার্যকর করা হবে, যাতে খেলোয়াড়, কর্মকর্তা এবং সমর্থকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
সূত্র: দ্য অ্যাথলেটিক




