সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের বোলারদের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়েও শেষ রক্ষা হয়নি পাকিস্তানি অলরাউন্ডার সালমান আলী আগার। দল হারার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর হতাশা আর আউট হওয়ার ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে মাঠের ভেতরেই মেজাজ হারিয়ে বসেন তিনি। আর এই অশোভন আচরণের জন্য এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হলো তাঁকে।
আইসিসি-র লেভেল-১ আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে তিরস্কার করার পাশাপাশি তাঁর নামের পাশে যোগ করা হয়েছে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট।
বিজ্ঞাপন
৪৩৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মোহাম্মদ রিজওয়ানের সাথে ১৩৪ রানের এক অনবদ্য জুটি বেঁধে বাংলাদেশের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছিলেন সালমান আগা। কিন্তু ম্যাচের চতুর্থ দিনে ৮২তম ওভারে তাইজুল ইসলামের স্পিন জাদুতে পরাস্ত হয়ে যখন তিনি সাজঘরে ফিরছিলেন, তখন আর নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি।
ডাগআউটের দিকে যাওয়ার সময় মাঠের সীমানায় থাকা একটি বিজ্ঞাপনী হোর্ডিংয়ে সজোরে নিজের ব্যাট দিয়ে আঘাত করেন তিনি। ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রোর কাছে নিজের এই ভুল ও অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন সালমান, যার ফলে বড় কোনো শুনানির মুখোমুখি হতে হয়নি তাঁকে।
আইসিসি-র নিয়ম অনুযায়ী ধারা ২.২ (খেলার সরঞ্জাম বা মাঠের সম্পত্তির ক্ষতিসাধন)-এর অধীনে এটি গত ২৪ মাসের মধ্যে সালমান আগার দ্বিতীয় অপরাধ। কাকতালীয়ভাবে, তার আগের অপরাধটিও ছিল এই বাংলাদেশের বিপক্ষেই! চলতি বছরের ১৩ মার্চ ঢাকার মিরপুরে ওয়ানডে সিরিজ চলাকালীন একইভাবে মেজাজ হারিয়ে ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছিলেন তিনি।
নতুন এই শাস্তির পর সালমানের নামের পাশে এখন মোট ডিমেরিট পয়েন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুইয়ে। আগামী দিনগুলোতে নিজের আচরণ সুধরাতে না পারলে ম্যাচ ফির বড় অঙ্কের জরিমানা বা নিষেধাজ্ঞার মতো কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে পারেন এই পাকিস্তানি মিডল-অর্ডার ব্যাটার।




