সৌদি আরবের কিং সৌদ ইউনিভার্সিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে আল নাসর বড় স্বপ্ন নিয়ে মাঠেনেমেছিল। ঘরের মাঠে খেলা, তারকায় ভরা দল এবং রোনালদোর নেতৃত্বে শিরোপা জয়ের প্রত্যাশা ছিল আকাশছোঁয়া। কিন্তু জাপানেরগাম্বা ওসাকার বিরুদ্ধে ১-০ গোলে হেরে সেই স্বপ্ন পূরণ হলো না।
ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন গাম্বা ওসাকার ফরোয়ার্ড ডেনিজ হুমেত। ৩০ মিনিটে ইসাম জেবালির পাস থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালেপাঠিয়ে গাম্বাকে এগিয়ে দেন তিনি। ম্যাচের শুরু থেকেই আল নাসর আধিপত্য বিস্তার করলেও গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়।
বিজ্ঞাপন
রোনালদোর জন্য এই হার ছিল বিশেষ হতাশাজনক। সৌদি আরবে আসার পর ব্যক্তিগত গোলের ধারায় আলোচনায় থাকলেও বড়কোনো ট্রফি জয়ের স্বপ্ন এখনো অধরা। এই ফাইনাল ছিল সেই অপেক্ষার অবসান ঘটানোর সুযোগ, যা শেষ পর্যন্ত পূরণ হলো না।গাম্বার শক্তিশালী রক্ষণ, গোলকিপার রুই আরাকির অসাধারণ পারফরম্যান্স এবং আল নাসরের ফিনিশিংয়ের দুর্বলতা রোনালদোরট্রফি স্বপ্নকে থামিয়ে দেয়।
ম্যাচে রোনালদো ও সাদিও মানে দুজনই গোলের সামনে বেশ কয়েকবার সুযোগ পেয়েছিলেন। বিশেষ করে ম্যাচের শুরুতেই মানে শটনিলেও ১৮ বছর বয়সী গোলকিপার আরাকিকে পরাস্ত করতে পারেননি। রোনালদোও বিপজ্জনক অবস্থানে বল পেয়েছিলেন, তবেকাঙ্ক্ষিত গোল আসেনি। ৮৬ মিনিটে তার সামনে পরিষ্কার সুযোগ তৈরি হলেও গাম্বার ডিফেন্ডার গেন্তা মিউরার শেষ মুহূর্তের ব্লকেসেটিও কর্নারে পরিণত হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে আল নাসর চাপ বাড়ায়। জোয়াও ফেলিক্সের শক্তিশালী শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে, ইনিগো মার্তিনেজ ও মানের প্রচেষ্টাওগোলরক্ষক প্রতিহত করেন। শেষ দিকে কোচ জর্জ জেসুস কিংসলে কোমান ও সালেম আল নাজদিকে নামিয়ে আক্রমণে তীব্রতা আনারচেষ্টা করেন, কিন্তু গাম্বার রক্ষণ ভাঙতে পারেনি।
গাম্বা ওসাকার জন্য এটি একটি বড় সাফল্য। ২০০৮ সালের পর এটি তাদের প্রথম বড় মহাদেশীয় ট্রফি। তারা ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও পাল্টাআক্রমণের পরিকল্পনায় খেলেছে এবং দলগত সংগঠনেই শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতেছে।




