মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ গড়েছিল ৪১৩ রানের বিশাল সংগ্রহ। এরপর ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের পথটা অনেক সহজই করে দিয়েছিলেন আজান আওয়াইস। তার খেলা দেখে মনেই হয়নি টেস্ট অভিষেকে ব্যাট করছেন তিনি। অভিষিক্ত এই ওপেনার টাইগার বোলারদের সামলে দলের সংগ্রহ বাড়িয়েছেন। শেষ পর্যন্ত পেয়েছেন অভিষেক ম্যাচেই সেঞ্চুরির দেখাও।
আজানের সেঞ্চুরিতেই প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানও পেয়েছে বড় সংগ্রহ। বাংলাদেশের করা ৪১৩ রানের সংগ্রহ ছুঁতে পারেনি পাকিস্তান। ২৭ রানে পিছিয়ে থেকে ইনিংস শেষ করেছে সফরকারীরা। এদিকে অভিষেক ম্যাচেই সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া আজান আজ তৃতীয় দিনের খেলা শেষে এসেছিলেন সংবাদ সম্মেলনে। সেখানেই জানালেন, দলের জন্য অবদান রাখতে পেরে বেশ খুশি তিনি।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, ‘খুব ভালো একটা অনুভূতি, কারণ এটা আমার অভিষেক ম্যাচ। আর আমি আমার দেশের জন্য খুব ভালো খেলেছি। যখন ব্যাটিং করতে যাচ্ছিলাম, তখন কিছুটা নার্ভাস ছিলাম; কিন্তু আমি আমার দলের জন্য ভালো খেলতে পেরেছি।’
এদিকে গতকাল যখন ব্যাট করতে নামেন আজান, তখন ইনিংসের শুরুতেই নাহিদ রানার গতিময় এক বাউন্সার আঘাত করে তাঁর হেলমেটে। পরে কনকাশন পরীক্ষা দিয়ে মিনিট পাঁচেক পর আবার ব্যাটিংয়ে নামেন তিনি। সে সময়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি নার্ভাস হইনি; কিন্তু যখন বলটা হেলমেটে লাগল, মিনিট পাঁচেকের মতো মনোযোগ হারিয়ে ফেলেছিলাম। এরপর বুঝতে পারলাম, আমি কে, তা দেখিয়ে দেওয়ার এটাই সময়।’
পাকিস্তানের ৭৬ বছরের টেস্ট ইতিহাসে ১৫তম ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেকে সেঞ্চুরি করেছেন আজান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সামনের পথটা যে মসৃণ হবে না সেটিও জানেন এই ব্যাটার। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কঠিন। কারণ, আপনার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ পরিকল্পনা করবে কোথায় বল করতে হবে তা নিয়েও, আপনাকেই এসবের সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।’




