ঢাকা টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুটা ছিল একেবারে বাংলাদেশের দখলে। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাকিস্তানকে চেপে ধরেছিল টাইগাররা। কিন্তু চাপ সামলে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে পাকিস্তান। বিশেষ করে আঘা সালমান ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের অবিচ্ছিন্ন ষষ্ঠ উইকেট জুটি তাদের খেলায় ফিরিয়ে এনেছে। তবে দলীয় ৩৪৯ রানে চা বিরতি আগে রিজওয়ানকে ফিরিয়ে ম্যাচে ফেরে টাইগাররা।
দিনের শুরুতে ১ উইকেটে ১৭৯ রান নিয়ে খেলতে নেমে ২৩০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে এখন তারা বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের স্কোরের (৪১৩) খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চা বিরতিতে যাওয়ার আগে পাকিস্তানের স্কোর ৬ উইকেটে ৩৪৯ রান। বাংলাদেশের চেয়ে মাত্র ৬৪ রান পিছিয়ে। লিড নেওয়ার পথে স্পষ্টভাবে এগোচ্ছে অতিথিরা।
বিজ্ঞাপন
মেহেদী হাসান মিরাজ আজও দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। তিনি সৌদ শাকিলকে (০) সুইপের চেষ্টায় এলবিডব্লিউ করে ফেরান এবং থিতু হয়ে যাওয়া আব্দুল্লাহ শফিককে (৬০) মিড-অনে তাইজুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় করেন। শফিক ১২০ বল খেলেছিলেন।
তবে পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়ায় আঘা সালমান ও রিজওয়ানের জুটিতে। আঘা সালমান ৭৮ বলে ফিফটি পূরণ করেন এবং রিজওয়ানও ৬৮ বলে ফিফটিতে পৌঁছান। তাদের ১১৯ রানের জুটি বাংলাদেশ শিবিরে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল।
তবে চা বিরতির ঠিক আগে সেই জুটির অবসান ঘটান তাইজুল ইসলাম। বড় শট মারতে গিয়ে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে আকাশে ভাসিয়ে দেন রিজওয়ান। ৭৯ বলে ৫৯ রানের ইনিংস শেষে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে সহজ ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
দিনের আরেক আলোচিত ঘটনা অভিষিক্ত ওপেনার আজান আওয়াইসের সেঞ্চুরি। ১৫৩ বলে ১৪টি চারের সাহায্যে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। কিন্তু সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তাসকিন আহমেদের বলে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্দান্ত ক্যাচে ধরা পড়ে ১৬৫ বলে ১০৩ রান করে ফিরে যান। এরপর অধিনায়ক শান মাসুদকেও (৯) তাসকিন শর্ট পয়েন্টে সাদমান ইসলামের হাতে তুলে দেন।




