বাংলাদেশি পেসার নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ভর করে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনালে হায়দরাবাদ কিংসম্যানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ৯ বছরের ট্রফি খরা কাটিয়েছে পেশোয়ার জালমি।
নাহিদ রানা ৪ ওভারে মাত্র ১ মেডেনসহ ২২ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। তার প্রতিটি বলই ছিল গতি ও নিয়ন্ত্রণের মিশ্রণ। অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার অ্যারন হার্ডির অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ম্যাচসেরা হয়েছেন তিনি। তবে নাহিদের অবদানও কম ছিল না। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ‘সুপার পাওয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার জিতেছেন।
বিজ্ঞাপন
টুর্নামেন্টে সবমিলিয়ে ৫ ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়ে ৫.৪৪ ইকোনমি রেটে দলের সেরা বোলারদের একজন হয়ে উঠেছেন নাহিদ। ফাইনালে দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে তার ভূমিকা ছিল অসাধারণ।
প্রথমে পিএসএলে খেলার অনাপত্তিপত্র (এনওসি) না পাওয়ায় তার ফেরা নিয়েও অনিশ্চয়তা ছিল। কিন্তু পেশোয়ার জালমি ফাইনালে ওঠায় বিসিবি বিশেষ অনুমতি দেয়। দলের অনুরোধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। জাভেদ আফ্রিদি পরে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই অনুমতির জন্য।
এবারের পিএসএলে নিলাম থেকে ৬০ লাখ রুপিতে নাহিদকে দলে নিয়েছিল পেশোয়ার। গত বছর এসেও খেলার সুযোগ পাননি। এবার সুযোগ পেয়ে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করেছেন জোরালোভাবে।
ম্যাচের পর নাহিদ বলেন, ‘আমি সত্যিই উপভোগ করেছি। গত বছর এসেছিলাম কিন্তু খেলিনি। এবার এসে পুরোপুরি উপভোগ করলাম। আমি শুধু আমার পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করতে চেয়েছিলাম এবং দলের জন্য বড় কিছু করতে চেয়েছিলাম। সেটা পেরেছি বলে খুব খুশি।’
বিজ্ঞাপন
অ্যারন হার্ডি নাহিদের প্রশংসা করে বলেন, ‘মাত্র তিন দিন আগে বিমান থেকে নেমে সে আজ ১৫১ কিমি গতিতে বল করেছে। ব্যাটারদের জন্য সেটা ভয়ংকর অভিজ্ঞতা ছিল। এক সপ্তাহ পর তার টেস্ট ম্যাচ আছে, তারপরও এমন পারফরম্যান্স অসাধারণ। বাবর সম্ভবত তার মুখোমুখি হতে চাইবে না (হাসি)। সে যেকোনো লিগে খেলতে পারবে, তার মতো খেলোয়াড়কে সবাই স্বাগত জানাবে।’




