টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেই নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে লিড নিয়েছিল বাংলাদেশ। বৃষ্টির কারণে দ্বিতীয় ম্যাচটি পরিত্যক্ত হলে সিরিজ জয়ের অপেক্ষা বাড়ে টাইগারদের। সেই বৃষ্টি এবার হানা দিয়েছে তৃতীয় ম্যাচেও। টসে হেরে টাইগাররা আগে ব্যাট করতে নামার পর ৬.৪ ওভারের খেলা হতেই বৃষ্টি নামলে খেলা বন্ধ হয়। বৃষ্টির পর আবার ম্যাচ শুরু হয় ৪.৩০ মিনিটে, তবে দৈর্ঘ্য কমিয়ে আনা হয় ১৫ ওভারে। এরপর স্বাগতিকরা খেলতে নেমে আর সুবিধা করে উঠতে পারেনি। লিটন দাস ও তাওহিদ হৃদয় দ্রুতই ফিরলে ১৪.২ ওভারে ১০২ রানেই অল আউট হয় লাল-সবুজের দল।
চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও শুরুটা ভালো করতে পারেননি সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিম। আজ সাইফ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন। দুটি চার মেরে দারুণ কিছুর আভাসও দিয়েছিলেন। তবে নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি।
বিজ্ঞাপন
চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই আউট হন সাইফ। জেইডন লেনক্সের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তিনি ১০ বলে করেন ১৬ রান। এদিকে সাইফ ফেরার পরের ওভারেই দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এবার ডিন ফক্সক্রফটের বলে বিদায় নেন আরেক ওপেনার তামিম। তিনি ১০ বলে করেন ৬ রান। এরপরের বলেই সাজঘরের পথ ধরেন পারভেজ ইমন। ১ বল খেলে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরতে হয় তাকে। এরপর ক্রিজে ছিলেন অধিনায়ক লিটন দাস ও তাওহিদ হৃদয়। লিটন ছিলেন মারমুখী মেজাজে। ১৩ বলে ৩ চার আর ১ ছয়ে ২৫ রান করেছেন তিনি। তবে বাংলাদেশের দলীয় রান যখন ৫০ তখন বৃষ্টি শুরু হলে বন্ধ হয় খেলা।
বৃষ্টির পর খেলা আবার শুরু হলে শুরুতেই লিটন দাসের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দলীয় ৬৩ রানে সাজঘরে ফিরে যান তিনি। আউট হওয়ার আগে তিনি ১৭ বলে করেন ২৬ রান। এদিকে লিটন ফেরার পর হৃদয় খেলেছেন হাত খুলেই। তবে তাকে সঙ্গ দিতে ব্যর্থ হয়েছে শামীম হোসেন। টাইগার এই মিডল অর্ডার ব্যাটার দলীয় ৮৬ রানেই ধরেন সাজঘরের পথ, ফেরার আগে করেন ৮ বলে ৩ রান।
শামীম ফেরার পর স্কোরবোর্ডে আর ২ রান যোগ হতেই আউট হন হৃদয়ও। জশ ক্লার্কসনের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তিনি ২৪ বলে করেন ৩৩ রান। এরপর আর কেউই দলের হাল ধরতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১৪.২ ওভারে ১০২ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
বিজ্ঞাপন




