বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া দ্বিতীয় ম্যাচের পর সিরিজে টিকে থাকার শেষ সুযোগ এখন নিউজিল্যান্ডের সামনে। মিরপুরে শেষ টি-টোয়েন্টিতে জয় পেলেই সমতায় ফিরতে পারবে সফরকারীরা। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই আত্মবিশ্বাসী কিউই শিবির।
বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে নিউজিল্যান্ড। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হওয়ায় সিরিজ নির্ধারণ হবে মিরপুরের শেষ ম্যাচে।
বিজ্ঞাপন
ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে দলের ব্যাটার ফক্সক্রফট জানান, প্রথম ম্যাচের ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে দল এখন আরও প্রস্তুত।
তিনি বলেন, ‘শেষ ম্যাচটা ভেসে গেছে, তাই এখানে এসে সিরিজে সমতা ফেরানোর সুযোগ আছে আমাদের সামনে। দলের পরিবেশ ভালো, সবাই ইতিবাচক আছে। প্রথম টি-টোয়েন্টি নিয়ে ভাবার জন্য আমরা কয়েক দিন সময় পেয়েছি। ওই ম্যাচে আমরা অনেক ভালো কাজও করেছি, তবে কিছু জায়গায় নিয়ন্ত্রণ ভালো ছিল না, ব্যাটিং-বোলিং দুই দিকেই। সেগুলো নিয়েই আমরা কথা বলেছি।’
প্রথম ম্যাচে পাওয়ারপ্লেতে দারুণ শুরু এনে দিয়েছিলেন ক্যাটেন ক্লার্ক ও ডেন ক্লিভার। তাদের প্রশংসা করে ফক্সক্রফট বলেন, এই দুই ব্যাটার মাঠের চারদিকে শট খেলতে পারেন, যা বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। ‘দুজনই পাওয়ারপ্লেতে খুব ভালো খেলোয়াড়। মাঠের চারদিকে রান করতে পারে, তাই বোলারদের জন্য কঠিন করে তোলে। তারা নিউজিল্যান্ডের সুপার স্ম্যাশেও ভালো করেছে। সুযোগটা তাদের প্রাপ্য ছিল। ড্রেসিংরুমও তাদের জন্য খুশি ছিল।’
তবে শক্তিশালী শুরু পেয়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিততে পারেনি নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের হয়ে শেষ দিকে তাওহীদ হৃদয় ও শামীম দারুণ ব্যাটিং করে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন। বিশেষ করে শামীমের আক্রমণাত্মক ও সৃজনশীল শট কিউই বোলারদের চাপে ফেলে।
বিজ্ঞাপন
শামীমের পারফরম্যান্স নিয়ে ফক্সক্রফট বলেন, তার ইনিংস ছিল ম্যাচ নির্ধারণী। তবে এখন তাকে নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে এবং পরের ম্যাচে ভালো পরিকল্পনা নিয়ে নামার আশা করছেন তারা। ‘সে শেষ দিকে দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছে। আমাদের ডেথ বোলারদের চাপে ফেলেছে। ওই জায়গাটাই আমাদের দেখতে হবে এবং আগামী ম্যাচে আরও ভালো করতে হবে। তার ওই শটটা অসাধারণ ছিল। আমাদের অনেকেই আগে তার বিপক্ষে খেলেনি। এখন আমরা বিশ্লেষণ করেছি, আশা করি ভালো পরিকল্পনা নিয়ে নামতে পারব।’
দলের কম্বিনেশন পরিবর্তন হবে কি না, তা স্পষ্ট করেননি ফক্সক্রফট। তবে তার বিশ্বাস, প্রথম ম্যাচে খুব বেশি পিছিয়ে ছিল না নিউজিল্যান্ড কয়েকটি ছোট ভুলই বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।




