বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

বাংলাদেশ সফরের আগে সমালোচনার কড়া জবাব দিলেন সরফরাজ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২০ পিএম

শেয়ার করুন:

বাংলাদেশ সফরের আগে সমালোচনার কড়া জবাব দিলেন সরফরাজ

পাকিস্তানের নতুন টেস্ট ফরম্যাটের হেড কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে প্রথমবারের মতো মাঠে নামছেন ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ী অধিনায়ক সারফরাজ আহমেদ। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, কোচিংয়ে কৌশলগত দিকগুলো পরে আসে। আগে দরকার খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন সম্পর্ক গড়ে তোলা, যাতে তারা কোচের কথা বুঝতে পারে, নিজেদের আরামদায়ক মনে করে এবং যেকোনো বিষয়ে খোলাখুলি আলোচনা করতে পারে।

এক সাক্ষাৎকারে সারফরাজ বলেন, ‘খেলোয়াড়রা যদি কোচকে বিশ্বাস করে এবং তার কাছে সবকিছু শেয়ার করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে, তাহলে অনেক কাজ সহজ হয়ে যায়।’ কোচিংয়ে তার অভিজ্ঞতা তুলনামূলকভাবে কম হলেও তিনি এই মানসিকতাকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।


বিজ্ঞাপন


তিনি জানান, বাইরের কোনো নেতিবাচক কথা তাকে লক্ষ্যচ্যুত করতে পারবে না। সম্প্রতি সরফরাজকে লাল বলের কোচ করায় পাকিস্তানের অনেক সাবেক ক্রিকেটার প্রশ্ন তুলেছিলেন। এ প্রসঙ্গে সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘সাবেক সতীর্থ বা ক্রিকেটারদের ভিন্ন ভিন্ন মত থাকতেই পারে, তবে আমি এই নতুন সুযোগটি নিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক। বাইরের কোনো নেতিবাচক কথা আমাকে বিচলিত করছে না।’

পাকিস্তানের আসন্ন দুই টেস্টের সিরিজটি হবে বাংলাদেশের বিপক্ষে, যা ৮ মে থেকে শুরু হবে। এটি বর্তমান আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রের পাকিস্তানের দ্বিতীয় সিরিজ। সিরিজের প্রস্তুতিতে চ্যালেঞ্জ রয়েছে, স্কোয়াডের অধিকাংশ খেলোয়াড় এখন পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনাল পর্যায়ে ব্যস্ত। টি-টোয়েন্টি খেলার পর লাল বলের ক্রিকেটে মানিয়ে নেওয়া সিনিয়র খেলোয়াড়দের জন্যও সহজ হবে না বলে স্বীকার করেছেন সারফরাজ।

তবে তার একটি বড় সুবিধা হলো, স্কোয়াডের অনেক খেলোয়াড়ের সঙ্গে তিনি আগে খেলেছেন এবং তাদের অধিনায়কত্বও করেছেন। এই পরিচিতি নতুন দায়িত্বে দ্রুত মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে বলে তিনি মনে করেন।

গত বছর সারফরাজ পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ ও শাহিনস (পাকিস্তান ‘এ’) দলের মেন্টর ও ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন। এশিয়া কাপ ও যুব বিশ্বকাপে দলের সঙ্গে থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। দেশে ফেরার পর তাকে জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্য করা হয় এবং পরে টেস্ট হেড কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়।


বিজ্ঞাপন


তিনি বলেন, ‘আমার খেলোয়াড়ি জীবন খুব ভালো কেটেছে। এখন কোচ হিসেবে সেই সাফল্য ফিরিয়ে আনতে চাই। ঘরোয়া ক্রিকেট ও অ্যাকাডেমিতে কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে, কিন্তু টেস্ট ক্রিকেট একেবারে আলাদা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও এক্সপোজার পেলে অনেক উন্নতি হবে বলে আমি আত্মবিশ্বাসী।’

বাবর আজমের পিএসএলে ফর্মে ফেরাটাকে তিনি ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন। ফরম্যাট ভিন্ন হলেও বাবরের টেকনিক্যালি সুন্দর ব্যাটিংয়ে ফিরে আসা আসন্ন সিরিজের জন্য শুভ লক্ষণ।

সারফরাজ আরও বলেন, বাংলাদেশ নিজেদের মাঠে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। স্পিন ও পেস—দুই ধরনের উইকেটের জন্যই পাকিস্তান দলকে প্রস্তুত রাখা হবে।

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর