চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগে হলো গোল উৎসব। রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে বায়ার্ন মিউনিখকে ৫-৪ গোলে হারিয়েছে পিএসজি। ৯ গোলের এই লড়াই সেমিফাইনালের এক লেগে সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ড গড়েছে।
আর ইউরোপিয়ান কাপ যুগ হিসাবে নিলে যৌথভাবে সর্বোচ্চ, ১৯৫৯-৬০ মৌসুমে রেঞ্জার্স ও আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের সেমি-ফাইনালের ফিরতি লেগ শেষ হয়েছিল ৬-৩ গোলে।
বিজ্ঞাপন
২০২১ সালের এপ্রিলের পর এই প্রথম ইউরোপ সেরার মঞ্চে বায়ার্নকে হারাতে পারল পিএসজি। দুই দলের টানা পাঁচ ম্যাচে জয়হীন ছিল ফরাসি ক্লাবটি।
প্রথমার্ধে গোল হয়েছে পাঁচটি, দ্বিতীয়ার্ধে চারটি। একপর্যায়ে ৫-২ গোলে পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে এক গোলের ব্যবধানে হারায়, ঘরের মাঠে ফিরতি লেগে বায়ার্নের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা জিইয়ে রইল ভালোভাবেই।
হ্যারি কেইনের গোলে পিছিয়ে পড়া পিএসজিকে সমতায় ফেরান খাভিচা কাভারাৎসখেলিয়া। এরপর জোয়াও নেভেস এগিয়ে নেন স্বাগতিকদের। সেই গোল মাইকেল ওলিসে শোধ করার পর প্রথমার্ধেই উসমান দেম্বেলের গোলে আবার লিড পায় লুইস এনরিকের দল।
বিজ্ঞাপন
দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতে ম্যাচে নিজেদের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ৫-২ ব্যবধানে এগিয়ে নেন কাভারাৎসখেলিয়া ও দেম্বেলে। পরে দুটি গোল শোধ করেন দায়ত উপামেকানো ও লুইস দিয়াস।
পুরো ম্যাচে বল দখলে একটু পিছিয়ে থাকা পিএসজি গোলের জন্য ১২টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রাখতে পারে পাঁচটি। বায়ার্নের ১০ শটের আটটি লক্ষ্যে ছিল।
ম্যাচে কোনো সেভ করতে পারেননি বায়ার্ন গোলরক্ষক মানুয়েল নয়ার। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সবশেষ ১৬ মৌসুমে তিনিই প্রথম গোলরক্ষক, যিনি নকআউট পর্বের কোনো ম্যাচে একটিও সেভ না করে পাঁচ বা এর বেশি গোল হজম করলেন।
গত নভেম্বরে এই মাঠে প্রাথমিক পর্বের ম্যাচে ২-১ গোলে জিতেছিল বায়ার্ন।
আগামী বুধবার মিউনিখে হবে ফিরতি লেগ।
এআরএম




