তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের পর এবার টি-টুয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় ওয়ানডে যে মাঠে হয়েছে, সেই চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামেই হচ্ছে প্রথম টি–টুয়েন্টি। ওয়ানডেতে টস ভাগ্য অনুকূলে না থাকলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে জিতেছেন অধিনায়ক লিটন দাস। সিদ্ধান্ত নেন আগে বোলিং করার। সেই সিদ্ধান্ত প্রথম ওভার থেকেই কাজে লাগতে শুরু করে।
দ্বিতীয় ওভারেই তানজিম হাসান সাকিবের বলে রান আউট হয়ে ফিরে যান নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টিম রবিনসন। মাত্র এক বল খেলে তাওহিদ আফ্রিদির দারুণ থ্রোয়ে কাটা পড়েন তিনি। দলীয় ১১ রানে প্রথম উইকেট হারায় কিউইরা।
বিজ্ঞাপন
তবে এরপরই ম্যাচের গতি পাল্টে দেন কেইটেন ক্লার্ক ও ডেন ক্লিভার। দুজন মিলে ঝড়ের গতিতে রান তুলতে থাকেন। প্রথম ছয় ওভারেই স্কোরবোর্ডে জমা হয় ৬১ রান। দুই প্রান্ত থেকেই সমানে বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে চাপ বাড়িয়ে দেন তারা।
কিন্তু রিশাদ হোসেন এসে ভাঙেন এই বিধ্বংসী জুটি। তার লেগ স্পিনে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন ২৮ বলে ৫১ রান করা ক্লিভার। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি তিনি। দলীয় ৯৯ রানে ভাঙে ৮৮ রানের জমজমাট পার্টনারশিপ।
পরের ওভারেই রিশাদের বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে ব্যাট-বলে সংযোগ ঠিকমতো না হওয়ায় শর্ট কাভারে তাওহিদ হৃদয়ের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ক্লার্ক। ৩৭ বলে ৫১ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
একই ওভার পর তানজিম সাকিব ফিরিয়ে দেন বেভন জ্যাকবসকে। বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে রিশাদের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। মাত্র ২ বলে ১ রান করে ফিরতে হয় জ্যাকবসকে। বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপ বাড়ছিলো কিউইদের। রান বাড়াতে মরিয়া হওয়ার চেষ্টায় পঞ্চম উইকেটও হারায় নিউজিল্যান্ডের। মেহেদী হাসানের বল এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে ৭ বলে ৩ রানে বোল্ড হয়েছেন ফক্সক্রফট।
বিজ্ঞাপন
তাতে দ্রুত চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় কিউইরা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৫ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ১৩০ রান তুলেছে সফরকারীরা।




