দীর্ঘদিন ধরে সৌদি ক্লাব আল নাসরের হয়ে খেলেছেন পর্তুগিজ ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এদিকে শিগগিরই ৪১ বছর বয়সী এই ফুটবলারের সঙ্গে মাঠে নামতে যাচ্ছেন তার ছেলে জুনিয়র রোনালদো।
ছেলের সঙ্গে আগেই খেলার স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তখন ব্যাপারটা প্রায় অসম্ভব মনে হলেও সাম্প্রতিক খবর বলছে, রোনালদোর এই স্বপ্নও পূরণ হতে যাচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
সৌদি সংবাদমাধ্যম ‘আল উইয়াম’ জানিয়েছে, রোনালদোর বড় ছেলে ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র হয়তো ২০২৬–২৭ মৌসুমে আল নাসরের মূল দলের সঙ্গে অনুশীলন শুরু করতে পারে। সংবাদমাধ্যমটির তথ্য অনুযায়ী, ক্লাবটি ১৫ বছর বয়সী এই উইঙ্গারকে ধীরে ধীরে মূল দলে তুলে আনার কথা ভাবছে।
১০০০ গোলের মাইলফলক পূরণে রোনালদো হয়তো বিশ্বকাপের পরও কিছু সময় খেলা চালিয়ে যাবেন। সে ক্ষেত্রে ২০২৬–২৭ মৌসুমে বাবা–ছেলেকে একসঙ্গে মাঠে নেমে খেলতে দেখার বিরল অভিজ্ঞতাও হয়ে যেতে পারে ফুটবলপ্রেমীদের।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে অংশ নিতে প্রস্তুত ইরান
ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র মূলত লেফট উইঙ্গার পজিশনে খেললেও আক্রমণভাগের যেকোনো জায়গায় মানিয়ে নিতে পারার সক্ষমতা আছে। প্রয়োজনে স্ট্রাইকার বা রাইট উইঙ্গার হিসেবেও খেলতে সক্ষম, যা তাকে দলের কৌশলগত পরিকল্পনায় বহুমুখী বিকল্প হিসেবে তুলে ধরবে।
বিজ্ঞাপন
আল নাসরে শুরু করলেও ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়রের চোখ মূলত ইউরোপে। ২০২৬ সালের মার্চে রিয়াল মাদ্রিদের অনূর্ধ্ব–১৬ দলের একাডেমিতে সে অনুশীলনও করেছে। ধীরে ধীরে ইউরোপিয়ান পরাশক্তিদের নজরে পড়াই মূল লক্ষ্য তার।
তার বাবা ৪১ বছর বয়সী রোনালদো এখনো আল নাসরের আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং তার বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত। বিশ্বকাপের পর তার ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনো পুরোপুরি অনিশ্চিত।
আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়রের শুরুটা দারুণ। এক বছরের কম সময়ে পর্তুগালের বয়সভিত্তিক দলের হয়ে তিনটি শিরোপা জিতেছে। ২০২৫ সালের মে মাসে ভ্লাটকো মাকোভিচ টুর্নামেন্টে অনূর্ধ্ব–১৫–এর ফাইনালে দুই গোল করে দলকে শিরোপা জিততে সাহায্য করে ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র।
এরপর ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে অনূর্ধ্ব–১৬ দলের হয়ে ফেডারেকশন কাপ জয় করে, আর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আলগারভে ইন্টারন্যাশনাল টুর্নামেন্টের শিরোপাও পর্তুগালের হয়ে জিতেছে রোনালদো–পুত্র।
এআরএম




