পেশাওয়ার জালমির অধিনায়ক বাবর আজম যেন রাজকীয় ঢঙেই ফর্মে ফেরার জানান দিলেন। কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটরসের বিপক্ষে ১১৮ রানের বিশাল জয়ে বাবর তার গত ৬৭টি টি-টোয়েন্টি ইনিংসের মধ্যে প্রথম সেঞ্চুরিটি তুলে নিয়েছেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির পর প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির দেখা পেলেন তিনি। ক্যারিয়ারে এটি তাঁর ১২ তম টি-টোয়েন্টি শতক। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে বাবরের চেয়ে বেশি সেঞ্চুরি আছে এখন কেবল ক্রিস গেইলের।
সাবেক এই পাকিস্তানি অধিনায়কের টি-টোয়েন্টি খেলার ধরন নিয়ে গত কয়েক বছরে বেশ সমালোচনা হয়েছে। বিশেষ করে এই শীতকালীন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচে মাত্র ৯১ রান করার পর সেই সমালোচনা আরও তীব্র হয়। এমনকি বিগ ব্যাশেও তিনি সংগ্রাম করেছেন, সেখানে ১০৩.০৬ স্ট্রাইক রেটে ২০২ রান করেন এবং একটি ম্যাচে তাকে 'রিটায়ার্ড আউট'ও করা হয়েছিল। তবে পিএসএলে তিনি দারুণ ছন্দে আছেন, যার প্রমাণ আগেই দিয়েছিলেন অপরাজিত ৮৭ এবং ৭১ রানের ইনিংস খেলে।
বিজ্ঞাপন
কোয়েটার বিপক্ষে তার ইনিংসটি ছিল নিখুঁত। ৫২ বলে ঠিক ১০০ রান করে অপরাজিত থাকার পথে তিনি পুরো ইনিংসে মাত্র একটি ডট বল খেলেন। এই দাপুটে ইনিংসে ছিল ছয়টি চার এবং চারটি ছক্কার মার। ইনিংসের শেষ বলে নিজের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১২তম এবং পিএসএলের তৃতীয় সেঞ্চুরিতে পৌঁছানোর পর বাবর উল্লাসে গর্জে ওঠেন।
বাবরের সেঞ্চুরির পাশাপাশি লঙ্কান ব্যাটার কুশল মেন্ডিসের ৪৪ বলে ৮৩ রানের ওপর ভর করে জালমি ৩ উইকেটে ২৫৫ রান সংগ্রহ করে, যা পিএসএলের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ দলীয় রান।
রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে কোয়েটা। এক পর্যায়ে ৮২ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে তারা ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়। শেষ পর্যন্ত ১৮.১ ওভারে ১৩৭ রানে অলআউট হয় গ্ল্যাডিয়েটরস। এই জয়ের ফলে অপরাজিত জালমি লিগ টেবিলের শীর্ষে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করল। দুই ম্যাচ হাতে থাকতেই তারা এখন দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলের চেয়ে ৫ পয়েন্টে এগিয়ে।




