মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের আগে বাংলাদেশ দলের একাদশ নিয়ে তৈরি হয়েছিল অপ্রত্যাশিত ধোঁয়াশা। শুরুতে ঘোষিত দলে মুস্তাফিজুর রহমানের নাম থাকলেও শেষ মুহূর্তে তার ডান হাঁটুর সমস্যায় ছিটকে যাওয়ায় জায়গা পান শরিফুল ইসলাম। আর এই সুযোগটা এসেছিল একেবারে হঠাৎ করেই।
দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে সংবাদ সম্মেলনে শরিফুল নিজেই খুলে বলেছেন সেই রোমাঞ্চকর মুহূর্তের কথা। তার ভাষায়, ‘ওয়ার্মআপ করার সময়ই জানতে পারি যে আমি খেলব। টসের এক-দুই সেকেন্ড আগে আমাকে জানানো হয়। তখন দৌড়ে ড্রেসিংরুমে গিয়ে প্রস্তুতি নিই। রিশাদও বলছিল, হয়তো এটা তোমার রিজিক। আমিও সেভাবেই নিয়েছি।’
বিজ্ঞাপন
এমন অপ্রস্তুত অবস্থায়ও নিজেকে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার গল্পটা তুলে ধরেন শরিফুল। তিনি বলেন, সুযোগ যেভাবেই আসুক না কেন, পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে সবসময় রেডি থাকতে হয়। ‘আমরা যারা স্কোয়াডে আছি, সবাই প্রস্তুত থাকি। কোচিং স্টাফ যাকে সুযোগ দেবে, সে-ই খেলবে। এটা আমাদের হাতে নেই।’
মাত্র কয়েক মিনিটের নোটিশ পেয়েও শরিফুল দ্রুত নিজেকে গুছিয়ে নেন। ‘আমি রান-আপ নিয়েছি, ওয়ার্মআপ বল করেছি, তারপর সরাসরি মাঠে নেমে পড়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করেছি,’ যোগ করেন এই বাঁহাতি পেসার।
অপরদিকে ফিজের প্রসঙ্গে নিয়ে ইতিবাচক কথাই শুনিয়েছেন শরীফুল। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘উনি (মুস্তাফিজ) আলহামদুলিল্লাহ, এখন মোটামুটি সুস্থ।’
মিরপুরের উইকেট নিয়ে শরিফুল জানান, দল যেমনটা আশা করেছিল, উইকেট তার চেয়ে একটু ভিন্ন আচরণ করেছে। তবে তিনি মনে করেন, যেমনই হোক না কেন, খেলোয়াড়দের সেটার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।
বিজ্ঞাপন
প্রথম ম্যাচে হারের হতাশা থাকলেও দল হিসেবে ঘুরে দাঁড়ানোর দৃঢ় আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন শরিফুল। তার মতে, ক্রিকেট এমন এক খেলা যেখানে একটা ইউনিট ভালো করলে অন্যটা কখনো কখনো পিছিয়ে পড়তে পারে। ‘আমরা যদি আরেকটু ভালো বোলিং করতে পারতাম, তাহলে ব্যাটসম্যানদের জন্য সহজ হতো। তবে আমরা সবাই একে অপরকে সাপোর্ট করি। ইনশাআল্লাহ, পরের ম্যাচে ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়াব,’ বলেন তিনি।
এসটি




