আইপিএল ২০২৬-এর ১৯তম আসরে পাঞ্জাব কিংসের হয়ে খেলছেন যুজবেন্দ্র চাহাল। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হলেও তার ব্যক্তিগত জীবন ঘিরে বিতর্কের শেষ নেই। সাবেক স্ত্রী ধনশ্রীর সাথে বিবাহবিচ্ছেদের পর বিভিন্ন নারীর সাথে চাহালের নাম জড়িয়ে নানা গুঞ্জন ও বিতর্ক দানা বাঁধে। এমনকি তাদের বিচ্ছেদের বিষয়টিও সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।
তবে ব্যক্তিগত জীবনের ঝড় মাঠের পারফরম্যান্সে খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি। চলতি মৌসুমেও তিনি বল হাতে দারুণ ছন্দে আছেন এবং পাঞ্জাবকে বেশ কিছু ম্যাচ জিতিয়েছেন। কিন্তু সম্প্রতি অভিনেত্রী তানিয়া চ্যাটার্জির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করে আবারও খবরের শিরোনামে এসেছেন এই লেগ স্পিনার।
বিজ্ঞাপন
যুজবেন্দ্র চাহাল এবং অভিনেত্রী তানিয়া চ্যাটার্জির মধ্যকার বিরোধ এখন আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। যা শুরু হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি সাধারণ গুঞ্জন হিসেবে, আইপিএল চলাকালীন তা এখন আইনি যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। মূলত এক পাপারাজ্জি ইন্টারঅ্যাকশনে তানিয়া চ্যাটার্জির করা কিছু মন্তব্য ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই এই সমস্যার সূত্রপাত। অনলাইনে ট্রোলিং এবং জল্পনা বাড়তে থাকায় চাহাল বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে মোকাবিলার সিদ্ধান্ত নেন।
পুরো ঘটনার শুরু হয় যখন তানিয়া চ্যাটার্জি দাবি করেন যে, যুজবেন্দ্র চাহাল ইনস্টাগ্রামে তাকে সরাসরি মেসেজ পাঠিয়ে "কিউট" বলেছিলেন। তানিয়ার এই মন্তব্যটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটিজেনরা চাহালকে নিয়ে সমালোচনা শুরু করেন। অনেকের দাবি ছিল, বিবাহিত থাকা অবস্থায় চাহাল কেন অন্য একজনকে এমন মেসেজ পাঠাবেন? এই নিয়ে ভক্তদের মাঝে তৈরি হয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
পরবর্তীতে তানিয়া চ্যাটার্জি জানান যে, তার এই মন্তব্যটি এতটা বড় বিতর্কের জন্ম দেবে তা তিনি ভাবেননি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, চাহালের পক্ষ থেকে ওই ভিডিওটি সরিয়ে ফেলার অনুরোধ করা হয়েছিল, যা বিতর্ককে আরও উস্কে দেয়। শেষ পর্যন্ত জল ঘোলা হতে হতে বিষয়টি এখন মানহানির মামলায় গিয়ে ঠেকেছে।
এ নিয়ে পাপারাজ্জিদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তানিয়া বলেন, ‘এতটা( চাহালের মেসেজের ঘটনা) ভাইরাল হয়ে যাবে ভাবিনি। আর আমাকে নিয়েই সবাই ট্রল করছে। আমিই বদনাম হচ্ছি। ওনার তো কিছুই হচ্ছে না। উনি আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন।’
বিজ্ঞাপন
মাঠের ক্রিকেটে দুর্দান্ত খেললেও যুজবেন্দ্র চাহালের ব্যক্তিগত জীবনের এই আইনি জটিলতা এখন মিডিয়া ও ক্রিকেট ভক্তদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আদালত এখন এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই দেখার বিষয়।




