চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বার্সেলোনার হতাশাজনক বিদায় নিতে হল। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ফিরতি লেগের ম্যাচটি জিতলেও দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে থাকায় সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে দিয়েগ সিমিওনের দল। এদিকে কোয়ার্টার ফাইনল থেকে বার্সার বিদায়ের পর বড় শাস্তির মুখে পড়ার শঙ্কায় ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে দুই গোলের ঘাটতি পুষিয়ে দিতে পারেনি বার্সা। ম্যাচের শুরুতেই চতুর্থ মিনিটে গোল করে আশা জাগান লামিনে ইয়ামাল। এরপর ফেরান তোরেস গোল করে ম্যাচে ২-০ এগিয়ে দেয় বার্সাকে, সমতায় ফেরে অ্যাগ্রিগেট স্কোর।
বিজ্ঞাপন
তবে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় দিয়েগো সিমিওনের দল। সাত মিনিট পর গোল করে আদেমোলা লুকমান, আর সেটাই শেষ পর্যন্ত অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে সেমিফাইনালে তুলে দেয়। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আর্সেনাল ও স্পোর্টিং সিপির ম্যাচের বিজয়ী। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ফেরান তোরেসের আরেকটি গোল ভিএআরের মাধ্যমে অফসাইডে বাতিল হয়। পরে ৭৯ মিনিটে প্রতিপক্ষের আক্রমণ থামাতে গিয়ে লাল কার্ড দেখেন এরিক গার্সিয়া।
চোটের কারণে খেলতে না পারলেও ম্যাচ শেষে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন রাফিনিয়া। তার দাবি, বার্সেলোনাকে একটি স্পষ্ট পেনাল্টি দেওয়া উচিত ছিল, যখন কোক ফাউল করেন দানি ওলমোকে।
ম্যাচ শেষে রাফিনিয়া বলেন, “পুরো ম্যাচটাই যেন আমাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। রেফারির অনেক সিদ্ধান্তই অবাক করার মতো ছিল। এতগুলো ফাউল হলেও অ্যাটলেটিকোকে কোনো কার্ড দেখানো হয়নি।” তিনি আরও বলেন, “একবার ভুল হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু একই রকম ঘটনা বারবার ঘটলে সেটা মেনে নেওয়া কঠিন। আমাদের মনে হয়েছে, ম্যাচ জিততে হলে তিনগুণ বেশি পরিশ্রম করতে হচ্ছে।”
রাফিনিয়ার এমন মন্তব্য এবং আচরণে অসন্তুষ্ট হতে পারে উয়েফা। সংস্থাটির শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী, ম্যাচ অফিসিয়ালদের নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করলে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে। এর আগে ২০১৯ সালে একই ধরনের মন্তব্য করে নিষেধাজ্ঞায় পড়েছিলেন নেইমার, যদিও পরে তার শাস্তি কিছুটা কমানো হয়। এখন দেখার বিষয়, রাফিনিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয় কি না উয়েফা।




