বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে ফিল সিমন্স দায়িত্ব নিয়েছেন ২০২৪ সালের অক্টোবরে। এরপর কত কিছুই না দেখলেন তিনি। মাঠের ভেতরে এবং বাইরে- অনেক আকস্মিক ঘটনারই সাক্ষী হয়েছেন তিনি। নিজের শিষ্যদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিস করতে যেমন দেখেছেন, তেমনি হুট করে বিসিবি সভাপতির চেয়ারে নতুন কাউকে দায়িত্ব নিতেও দেখলেন দুইবার। তবে এসবের কোনো কিছুই আর তাঁকে অবাক করে না বলেই জানিয়েছেন সিমন্স।
সিমন্স যখন টাইগারদের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেন তখন বিসিবি সভাপতি ছিলেন ফারুক আহমেদ। দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে তখনকার কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকে বরখাস্ত করে সিমন্সকে নিয়োগ দেয় ফারুকের বিসিবি। এরপর ফারুককে বিসিবি থেকে সরে যেতেও দেখেছেন সিমন্স। ফারুক আহমেদকে সরিয়ে ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
বিজ্ঞাপন
এরপর বুলবুল নির্বাচন করে আবার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেও ছয় মাস যেতে না যেতেই তাকেও সরে যেতে দেখলেন ক্যারিবীয় এই কোচ। এবার দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তবে এসব কোনো কিছুতেই অবাক হন নি সিমন্স। জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি অবগত আছেন যে এমন হতেই পারে।
বিসিবির পরিবর্তনের বিষয়ে সিমন্স বলেন, 'আমাকে আর কিছুই তেমন অবাক করে না। এটা হোক বাংলাদেশ দল নিয়ে, অথবা আমার জীবন নিয়ে। আমি এমন এক পর্যায়ে এসে পৌঁছেছি যখন জানি এসব কিছু হতেই পারে। তাই কোনো কিছুই আমাকে অবাক করেনি।'
তবে এসব পরিবর্তন কোচিং প্যানেলের কাজে কোনো প্রভাব ফেলেনি বলেই জানিয়েছেন সিমন্স। তিনি বলেন, 'আমার ওপর এসব প্রভাব ফেলে না। আমার কাজ হলো দলকে প্রস্তুত করে তোলা। আমাদের কোচিং গ্রুপের কাজে এটা কোনো প্রভাব ফেলেনি।'
ক্রিকেটারদের উপর এসবের কোনো প্রভাব আছে কি না জানতে চাইলে সিমন্স বলেন, 'প্রথমত, এটা আমাদের কাজে কোনো প্রভাব ফেলেনি। যে ক্যাম্প হয়েছে, পরিকল্পনামতোই হয়েছে। খেলোয়াড়দের ওপর প্রভাব ফেলে কিনা এটা খেলোয়াড়দেরই জিজ্ঞেস করতে হবে। তবে আমি কোনো সাইকোলজিক্যাল প্রভাব দেখিনি। তারা সবাই কঠোর পরিশ্রম করেছে, অন্য সময়ের মতোই।'




