১০ জনের বার্সেলোনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে ওঠার পথে অনেকটা এগিয়ে রইল অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। কাম্প ন্যুয়ে বুধবার রাতে কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগে ২-০ গোলে জিতেছে দিয়েগো সিমেওনের দল। প্রথমার্ধে হুলিয়ান আলভারেসের চমৎকার ফ্রি-কিকে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নেমে দ্বিতীয় গোলটি করেন আলেকসান্দার সরলথ।
ম্যাচে একচেটিয়া দাপট ছিল বার্সেলোনার। ৫৮ শতাংশ পজেশন রেখে গোলের জন্য ১৮টি শট নিয়ে সাতটি লক্ষ্যে রাখতে পারে তারা। অন্যদিকে অ্যাতলেতিকোর পাঁচ শটের তিনটি লক্ষ্যে ছিল।
বিজ্ঞাপন
অ্যাতলেতিকোর কোচ হিসেবে কাম্প নউয়ে ১৯ বারের চেষ্টায় প্রথম জয়ের দেখা পেলেন সিমেওনে।
চার দিন আগে লা লিগার ম্যাচে আতলেতিকোর মাঠে ২-১ গোলে জিতেছিল বার্সেলোনা। সেদিন দ্বিতীয়ার্ধের পুরো সময় একজন কম নিয়ে খেলেছিল মাদ্রিদের দলটি। এবার ইউরোপ সেরার মঞ্চে ঘরের মাঠে পেরে উঠল না হান্সি ফ্লিকের দল। কাম্প নউয়ে তাদের ১৪ ম্যাচের অপরাজেয় যাত্রায়ও ছেদ পড়ল।
শুরুতেই জমে ওঠে লড়াই। একাধিকবার আক্রমণের ফসরা সাজিয়েও গোলের দেখা পায়নি স্বাগতিকরা। উল্টো ৪৩তম মিনিটে বড় ধাক্কাটা খায় বার্সেলোনা। বক্সের বাইরে জুলিয়ানো সিমেওনেকে পেছন থেকে ফাউল করে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখেন ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সি। পরে মনিটরে দেখে তাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি।
আর ওই ফ্রি-কিকেই দারুণ গোলে অ্যাতলেতিকোকে এগিয়ে নেন আলভারেস। আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের শট ডান পাশের ওপরের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়।
বিজ্ঞাপন
এই মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৯ গোল করলেন আলভারেস। প্রতিযোগিতাটির এক আসরে অ্যাতলেতিকোর কোনো খেলোয়াড়ের যা সর্বোচ্চ গোল। পেছনে পড়ে গেল ২০১৩-১৪ মৌসুমে দিয়েগো কস্তার ৮ গোল।
একজন কম নিয়েও দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে আধিপত্য ধরে রাখে বার্সেলোনা। ৫০তম মিনিটে সমতায় ফেরার ভালো সুযোগ পায় তারা। ইয়ামালের থ্রু বল ধরে বক্সে আগুয়ান গোলরক্ষককে কাটান র্যাশফোর্ড, কিন্তু দুরূহ কোণ থেকে পাশের জালে লাগে তার শট।
বেশিরভাগ সময় ঘর সামলাতে ব্যস্ত থাকলেও, ৭০তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে বার্সেলোনার ঘুরে দাঁড়ানোর পথ আরও কঠিন করে তোলে অ্যাতলেতিকো। বাঁ দিক থেকে সতীর্থের ক্রসে বক্সে ভলিতে বল জালে পাঠান বদলি নামা সরলথ।
আগামী মঙ্গলবার মেত্রোপলিতানোয় হবে ফিরতি লেগ। অ্যাতলেতিকো মাঠে দুই গোলের ব্যবধান ঘুচিয়ে পরের ধাপে যাওয়া খুব কঠিন হবে ইয়ামালদের জন্য।
এমআর/এআরএম




