তামিম ইকবাল এখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির প্রধান। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সিদ্ধান্তে গঠিত এই অস্থায়ী কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই তিনি দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তামিম জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী বিসিবি নির্বাচনে তিনি অংশ নেবেন। “অবশ্যই, আমি নির্বাচন করব,” বলেন তিনি। তবে শুধু নিজের প্রার্থিতা নয়, তিনি একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
তামিম বলেন, “যখন একটি ফেয়ার ইলেকশন হবে, তখন আমি সবাইকে অনুরোধ করব; ক্রিকেটার, সংগঠক, সবাই যেন এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেন। যদি আমরা একটি সুন্দর ও স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দিতে পারি, সেটাই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।”
উল্লেখ্য, গত বছর (২০২৫) বিসিবি নির্বাচনে ওল্ড ডিওএইচএসের কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তামিম। মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে এবার তিনি নিজেই সেই বোর্ডের অ্যাডহক সভাপতির দায়িত্বে এসেছেন। যা বাংলাদেশের ক্রিকেটে এক বিরল ঘটনা।
নতুন দায়িত্ব নিয়ে তামিমের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কোয়ালিফাই করতে না পারার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ক্রিকেটের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করা।
তিনি বলেন, “আমাদের প্রথম ও প্রধান কাজ হবে দেশের ক্রিকেটের হারানো সম্মান ও সুনাম ফিরিয়ে আনা। এই কঠিন যাত্রায় আমি ক্রীড়া সাংবাদিকদের পূর্ণ সহযোগিতা চাই।”
বিজ্ঞাপন
একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক বোর্ড গঠনের পাশাপাশি বৈশ্বিক আসরে বারবার ব্যর্থতার গ্লানি মুছে নতুন করে একটি সুস্থ ক্রিকেট সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তামিম ইকবাল।
এসটি

